যুদ্ধের আবহে রান্নার গ্যাসের সরবরাহে টান পড়ায় ব্যাপক প্রভাব পড়ল দিঘার পর্যটন ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে। গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে ভক্তদের জন্য প্রসাদ তৈরির পরিমাণ সাময়িকভাবে অনেকটা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে গ্যাস না থাকলেও জগন্নাথদেবের নিত্যভোগে যাতে কোনো ছেদ না পড়ে, সেজন্য বিকল্প হিসেবে কাঠের উনুনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, আগে যেখানে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ জন ভক্তের জন্য প্রসাদ তৈরি করা হতো, বর্তমানে গ্যাসের মজুত কম থাকায় তা কমিয়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন করা হয়েছে। আপাতত মজুত থাকা গ্যাস এবং কাঠের সাহায্যে প্রভুর ভোগ প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার আগের মতো প্রসাদের পরিমাণ বাড়ানো হবে। গ্যাস সংকটের এই প্রভাব কেবল মন্দিরে নয়, পড়তে শুরু করেছে দিঘা, শংকরপুর ও মন্দারমণির পর্যটন শিল্পেও। দিঘা-শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী জানান, পর্যটন ব্যবসা পুরোপুরি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। গ্যাস রিফিলিং স্বাভাবিক না হলে হোটেল ব্যবসা লাটে উঠবে। একই পরিস্থিতি হলদিয়ার শিল্পতালুকগুলোতেও, যেখানে গ্যাস রিফিলিং প্ল্যান্টগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।