গোয়ালতোড়: মাত্র এক মাস আগেই হার্টের অপারেশন করিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছে অন্তত কমপক্ষে মাস চারেক সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। কিন্তু তার বিশ্রাম নিলে চলবে না যে। তিনি তো কান্ডারী। সাত দফা লোকসভা নির্বাচনের চার দফার ভোট শেষ। আর মাত্র তিনটি দফা। হাতে আর কয়েকদিন বাকি। এই সময় বিশ্রাম নিলে চলবে না। সেই কারনেই চড়া রোদকে উপেক্ষা করেই রাত দিন এক করে ব্লকের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত চষে বেড়াচ্ছেন। তিনি আর কেউ নন। তিনি নেপাল সিংহ। শালবনী ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি। নেপাল সিংহ, শালবনীতে তৃণমূলের জয়ধ্বজা কে যিনি সুনিপুন ভাবে বয়ে নিয়ে চলেছেন। তাই তার প্রতি দলনেত্রী তথা রাজের মুখ্যমন্ত্রীর অগাধ ভরসা। জঙ্গল ঘেরা শালবনীর আধুনিক রূপকার উন্নয়নের কান্ডারী নেপাল সিংহ যার কাছে রাজনীতি আর সমাজসেবা একটা নেশা। তিনিই তো শালবনীর বুকে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কে প্রতিষ্ঠা করেছেন। অসংখ্যবার হার্মাদদের আক্রমনের শিকার হয়েছেন তবুও ময়দান ছেড়ে চলে যাননি বরং নতুন উদ্যমে লড়াই চালিয়ে গেছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের দুই প্রার্থী ডাঃ মানস রঞ্জন ভূঁইয়া ও বীরবাহা সরেন কে জেতানোর জন্য পুরো শালবনী চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই ব্লকে বিজেপির প্রভাব লক্ষ করা যায়। ব্লকের কয়েকটি অঞ্চলও দখল করে বিজেপি। পঞ্চায়েত ভোটের পর লোকসভা ভোট। মান রাখতে হবে দলনেত্রীর। তাই শারীরিক অসুস্থতাকে ভুলেই এই রোদকে উপেক্ষা করেই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার এই অক্লান্ত পরিশ্রম দেখে ব্লকের তৃনমূল কর্মীরা বলেন, “অপারেশন করার পর বিশ্রাম না নিয়ে এই প্রখর রোদে শরীরের কোন খেয়াল না রেখে দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন। নেপাল বাবুর নেতৃত্ব আমাদের সকলের কাছে অনুপ্রেরণা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *