জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (JeM) এর একটি সক্রিয় মডিউলের হদিশ মিলেছে গুজরাতে । সেই তদন্তে বড় সাফল্যের দাবি করল গুজরাত অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) । ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া আট সন্দেহভাজনকে জেরা করে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে এটিএস । তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতেরা জইশের মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ, জঙ্গি কার্যকলাপের প্রস্তুতি এবং বিস্ফোরক পরীক্ষার সঙ্গে জড়িত ছিল । এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত পাঁচ জনের নাম বিলাল আবিদভাই শেরা (24), মহম্মদ আয়ুব কাদিওয়াল ওরফে মহম্মদ খাডিয়াসন (22), মহম্মদ আয়ুবভাই সুনাসরা ওরফে মহম্মদ খালি (20), শফিয়া রইস মুখি ওরফে শফি চাপি (21) এবং মহম্মদ হাসান হানিফভাই করাডিয়া ওরফে হাসান হায়দারপুরি (20) । সকলেই বানাসকাঁঠা ও পাটন জেলার বাসিন্দা । তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁরা বিভিন্ন মাদ্রাসায় থেকে কার্যকলাপ চালাতেন ।গুজরাত এটিএসের ডিআইজি সুনীল জোশীর দাবি, ধৃতদের মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ডেরায় তল্লাশি চালিয়ে জইশ-ই-মহম্মদের পতাকা, সংগঠনের প্রধান মাসুদ আজহারের লেখা জিহাদি বইয়ের মুদ্রিত কপি, মাসুদ আজহারকে লেখা চিঠির প্রতিলিপি এবং জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা প্রায় 1 লক্ষ 30 হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে । তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ধৃতেরা ‘একলা মুজাহিদ কীভাবে জিহাদ করবে’ জাতীয় উগ্রপন্থী বইয়ের ফটোকপি করে পড়াশোনা করত এবং অন্য মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্যেও সেই মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চালাত । তদন্তকারীদের দাবি, 2023 সাল থেকে 2026 সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে গুজরাতের অন্তত আটটি আলাদা জায়গায় বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক ও টাইমার মেকানিজম ব্যবহার করে বোমা বিস্ফোরণের পরীক্ষাও চালানো হয়েছিল । ধৃতদের কাছ থেকে আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি এটিএসের ।