গ্রেফতার মহারাষ্ট্র টেট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস-কাণ্ডের মাথা বিজেন্দ্র গুপ্তা ৷ থানে পুলিশের স্পেশাল ইনভেসটিগেশন টিম বিহারের সমস্তিপুর থেকে শুক্রবার মাঝরাতে গ্রেফতার করেছে মূল অভিযুক্তকে ৷ তাঁকে শনিবার সকালে বিমানে পুনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷ পুনের ভিওয়ান্ডি পুলিশ স্টেশনে বিজেন্দ্র গুপ্তার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্টের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ৷ গ্রেফতারি এড়াতে গত একমাস ধরে আত্মগোপন করেছিলেন বিজেন্দ্র ৷ বিজেন্দ্র গুপ্তার গ্রেফতারি নিয়ে পুনের উচ্চপদস্থ এক আইপিএস আধিকারিক ইটিভি ভারতকে বলেন, “সিট (SIT)-এর সদস্যরা বিগত কয়েকদিন ধরে সমস্তিপুরে ছিলেন ৷ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা বিজেদ্রের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর, বিহার পুলিশের সহায়তায় একটি অভিযান চালান ৷ মহারাষ্ট্র টেট (TET) ছাড়াও, তিনি এর আগে বিহার ও অন্যান্য একাধিক প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত ছিলেন ৷ যার মধ্যে 2024 সালের নিট ইউজি (NEET UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাও রয়েছে ৷”এর আগে মহারাষ্ট্র পুলিশ গত 30 জুন বিজেন্দ্রর স্ত্রী সোনম গুপ্তাকে বিহার থেকে গ্রেফতার করেছিল ৷ অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের যোগসাজশে সামিল ছিলেন ৷ স্বামীর কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতেন তিনি এবং গ্রেফতার এড়াতে তাঁকে বিহারে না-ফেরার পরামর্শ দিয়েছিলেন ৷ এরপর গত 3 জুলাই পরবর্তী অভিযানে এসআইটি (SIT) বিজেন্দ্রর আরও তিন সহযোগী কপিল দাহিয়া, মিঠুন সিং এবং সোনু সিংকে গ্রেফতার করে ৷ মহারাষ্ট্র টেট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তাঁরাও অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছেন ৷ তদন্তকারীদের জানানো তথ্য অনুযায়ী, হরিয়ানার সোনিপত জেলার বাসিন্দা কপিল ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজতে মুম্বই গিয়েছিলেন ৷ বিহার থেকে গ্রেফতার হওয়া মিঠুন সিংয়ের বিরুদ্ধে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র বিতরণের জন্য পুনে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে ৷ তদন্তকারীদের অনুমান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে ৷
প্রায় একই সময়ে মহারাষ্ট্র পুলিশ বিহারের বৈশালী জেলার হাজিপুর থেকে সোনু সিংকেও গ্রেফতার করে ৷ বিজেন্দ্রর বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্র পরিচালনায় সাহায্য করার জন্য ভুয়ো পরিচয়পত্র সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে ৷

