প্রথম ম্যাচে একাই ৩টি গোল, দলের স্কোর ৩-০। দ্বিতীয় ম্যাচে দলের স্কোর ২-০, দুটি গোলই লিওনেল মেসির। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে ৫ গোল করে স্বপ্নের ফর্মে আর্জেন্টাইন লেজেন্ড। মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ভেঙে হলেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোরার। একইসঙ্গে প্রথম দুই ম্যাচে ৫ গোল করেও গড়লেন নজির। আলজেরিয়ার পর অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা পাকা করে ফেলল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য আশানরূপ করতে পারেননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ম্যাচের শুরু থেকে আর্জেন্টিনা আধিপত্য ছিল। লাউতারো মার্টিনেজতে বক্সে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল মিস করেন মেসি। পেনাল্টি মিস করার পর স্বভাবতই একটু হতাশ হয়ে পড়েছিলেন লিও মেসি। আর্জেন্টিনার আক্রমণও কিছুটা থমকে গিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচের ৩০ মিনিটের পর থেকে বল পজিশন ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ করার চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা। অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে। বাঁ দিক থেকে বক্সে বাড়ানো গ্রাউন্ডার থ্রুতে পেছন থেকে দৌড়ে এসে চোখ ধাঁধানো ফিনিশ করেন লিও মেসি। আরও একবার বাঁ পায়ের ম্যাজিকের সাক্ষী থাকল ফুটবল বিশ্ব। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ক্লোজেকে ধরে নিয়েছিলেন লিও। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম গোল করে সিংহাসনে বসলেন মেসি। টপকে যান ক্লোজের ১৬ গোলকে। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ানোর চেষ্টা করে অস্ট্রিয়া। কিন্তু আর্জেন্টিনার শক্তিশালী ডিফেন্স ভাঙতে সমর্থ হয়নি আলজেরিয়ার অ্যাটাকিং লাইন। বল পজিশন ধরে রেখে দুই দলই ট্যাকটিকাল লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচ যত শেষের দিকে এগিয়েছে গোল শোধের চাপ বেড়েছে অস্ট্রিয়ার উপর। সেই সুযোগে ইনজুরি টাইমেপ শেষ মুহূর্তে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দলের ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন মেসি। একইসঙ্গে অস্ট্রিয়ার ম্যাচে ফেরার কফিনে শেষ পেরেকও পুতে দেন।