জোর করে মদ খাওয়ানো, তারপর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়তেই নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে অভিযুক্তরা ৷ বাড়ির সদস্যদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, মেয়েটি জঙ্গলের মধ্য দিয়ে তার গ্রামে ফিরছিল। ছত্তিশগড়ের কাওয়ার্ধার অন্তর্গত কবিরধামে (গত পরশু) শুক্র-শনিবার মধ্যরাতে মেয়েটির সঙ্গে এই নারকীয় ঘটনা ঘটায় অভিযুক্তরা ৷ বছর সতেরোর নাবালিকাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৷ তার এখনও সেভাবে জ্ঞান ফেরেনি ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়েটিকে ঘটনার কথা জিজ্ঞাসা করতেই সে আঁতকে উঠছে ৷ নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর ওই পরিণতির কথা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না ৷ বারবার চিৎকার করে উঠছে ও কেঁদে চলেছে ৷ বারবার জ্ঞান হারাচ্ছে আদিবাসী ওই নির্যাতিতা ৷ সেই সময় জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে নির্যাতিতা জানিয়েছে, যারা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের মধ্যে একজন তার পরিচিত ৷ সেই তাকে জোর করে জঙ্গল থেকে পাশের একটা খোলা জায়গায় টেনে নিয়ে যায় ৷ তারপরই মদ পান করায় ৷ পরে আরও এক যুবক সেখানে পৌঁছয় ৷ পুলিশ আপাতত দু’জনকে আটক করেছে ৷ তদন্তকারী এক কর্মকর্তা লালজি সিনহা বলেন, “শনিবার আমরা খবর পাই, জঙ্গলে একটি মেয়ে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমরা ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে মেয়েটিকে তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। নাবালিকাটিকে জোর করে মদ খাইয়ে দু’জন মিলে শারীরিক অত্যাচার করে ৷ এমনটাই জবানবন্দিতে জানিয়েছে নির্যাতিতা নাবালিকা ৷ ঘটনায় পুলিশ দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। পরবর্তীতে মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে তার কাছ থেকে আরও কিছু জানতে পেরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷” পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ৷ আটক হওয়া দুই সন্দেহভাজনকে সমানে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা ৷ মেয়েটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেয়েটির সঙ্গে এমন জঘন্য অপরাধ করার পর তাকে জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যায় ৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে দেখেন মেয়েটি অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গ্রামবাসীরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পরিবারকে ঘটনাটি জানান ৷ তাঁরা এখন মেয়েটির কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারপর নির্যাতিতার জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

