banganews.net

আসন্ন স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ রবিবার এই নিয়ে তিনি একটি সোশাল মিডিয়া পোস্ট করেন ৷ সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ভারতের জাতীয় পতাকা দেশের গর্ব ৷ দেশের জন্য সর্বদা নিজের সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই পতাকা অনুপ্রেরণার এক নিরবচ্ছিন্ন উৎস ৷ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আসুন, সবাই উৎসাহের সঙ্গে হর ঘর তিরঙ্গা অভিযানে অংশ নিই ৷ বিকশিত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের সম্মিলিত অবদানকে পুনরুজ্জীবিত করি ৷” তিনি জানান, এই বছরের এই উদ্যোগ জাতীয় সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’-কে উৎসর্গ করা হয়েছে ৷ বিশেষত এমন একটি সময়ে যখন দেশজুড়ে এই সঙ্গীতের 150তম বার্ষিকী উদযাপন চলছে ৷ এবছর ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের সূচনা হয়েছে 6 অগস্ট ৷ 9-17 অগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে এই অভিযান পালিত হবে ৷ 2022 সালে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ প্রকল্পের আওতায় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের সূচনা হয় ৷ প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এই অভিযান এখন জাতীয় প্রথায় পরিণত হয়েছে ৷ রবিবার ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’-এর 84 তম বর্ষে প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক মহাত্মা গান্ধিকে শ্রদ্ধা জানান ৷ পাশাপাশি, 1942 সালের অগস্টে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’-এ অংশগ্রহণকারীদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি ৷

এদিকে এদিনই 14 অগস্ট ‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ (Partition Horror Remembrance Day) হিসেবে পালনের আহ্বান জানালেন রাজ্যপাল আর এন রবি ৷ দেশভাগের যন্ত্রণা, উদ্বাস্তু মানুষের অসীম দুর্ভোগ এবং সেই সময়ের ত্যাগ ও ক্ষয়ক্ষতির ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে এই দিনটি পালনের বার্তা দিয়েছেন তিনি ৷ 1942 সালের 8 অগস্ট ব্রিটিশ বিরোধী ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’ শুরু হয়েছিল ৷ সেদিন মুম্বইয়ে (তৎকালীন বোম্বে) ‘সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটি’ ঐতিহাসিক ‘ভারত ছাড়ো’ প্রস্তাব পাস করে এবং মহাত্মা গান্ধি তাঁর বিখ্যাত ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ (করো নয়তো মরো) ভাষণটি দেন ৷ শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার এবং ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়েছিল 9 অগস্ট ভোরে ৷