দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগের লাইফলাইন ফরাক্কা ব্যারেজের গেট খোলা শুরু হতেই নদী তীরবর্তী অঞ্চলে বাড়ল জলস্তর। আকস্মিক এই জলবৃদ্ধির ফলে চরম বন্যার আশঙ্কায় উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন জেলার কৃষকরা। অপরিণত অবস্থাতেই তড়িঘড়ি ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাঁরা। প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ইতিমধ্যেই দুয়ারে ঘুরছেন আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যারেজের গেট খোলার জেরে জলঙ্গী, রানীনগর এবং সাগরপাড়ার সীমান্তবর্তী চর এলাকাগুলিতে পদ্মা নদীর জলস্তর হুহু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হঠাৎ জল বেড়ে যাওয়ায় মাঠের পাট ও ধান চাষ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। নদীভাঙন ও প্লাবনের আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে নদীতীরবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষেরও। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বৃহস্পতিবার জেলার উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করে একটি প্রশাসনিক প্রতিনিধি দল। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখে আধিকারিকরা স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার পাশাপাশি যেকোনো আপৎকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

