নর্থইস্ট: ৬ (আশির, পার্থিব, থই, জাইরো, রদ্রিগেজ, আলাদিন)
ডায়মন্ড হারবার: ১ (লুকা)
ফাইনালে এসে স্বপ্নভঙ্গ ডায়মন্ড হারবার এফসির! সেমিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারালেও শনিবাসরীয় ফাইনালে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের অভিজ্ঞতার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করল ডায়মন্ড হারবার এফসি ৷ ফলত ঠোঁট আরে কাপের দূরত্বটা রয়েই গেল ৷ অন্যদিকে বাংলার ক্লাবকে ৬-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ডুরান্ড জিতে নিল ‘হাইল্য়ান্ডার্স’ ৷ যা ঐতিহাসিকও বটে ৷ কারণ, ১৯৯১ সালের পর প্রথম দল হিসেবে খেতাব ধরে রাখল তাঁরা ৷ প্রথমার্ধে জোড়া গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তৃতীয় গোল তুলে নেয় নর্থ-ইস্ট ৷ সেখানেই খেতাব জয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল পেদ্রো বেনালির দলের ৷ পরে কর্নারের সুযোগ নিয়ে ডায়মন্ড হারবার একটি গোল শোধ করলেও তা যথেষ্ট ছিল না ৷ উল্টে ৮১, ৮৬ ও সংযুক্তি সময়ে আরও তিনটি গোল তুলে নিয়ে কিবু ভিকুনার দলকে ধরাশায়ী করল নর্থ-ইস্ট ৷ হাইল্য়ান্ডার্সের হয়ে গোলগুলি করেন আশির আখতার, পার্থিব গগৈ, থই সিং, জাইরো স্য়াম্পেরিয়ো, অ্য়ান্ডি রড্রিগেজ এবং আলাদিন আজেরাই ৷ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে থই সিংয়ের গোলে ফের এগিয়ে যাওয়া নর্থ-ইস্টের ৷ ৬৮ মিনিটে কর্নারের সুযোগ নিয়ে ডায়মন্ড হারবারের লুকা মাচেনের গোল খেলায় কিছুটা প্রাণের সঞ্চার করে ৷ কিন্তু সেই গোল সান্ত্বনাসূচক ছাড়া যে কিছুই নয়, তা পরক্ষণেই বুঝিয়ে দেয় হাইল্য়ান্ডার্স ব্রিগেড ৷ আলাদিনের নেতৃত্বে আক্রমণে আধিপত্য রাখে তাঁরা ৷ ৮১ ও ৮৬ মিনিটে স্কোরশিটে নাম তুলে নেন জাইরো ও অ্য়ান্ডি ৷ সংযুক্তি সময়ে বক্সের মধ্যে আলাদিনকে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় নর্থ-ইস্ট ৷ স্পটকিক থেকে ছ’গোলের বৃত্ত সম্পূর্ণ করেন আলাদিন নিজে ৷ সেইসঙ্গে কলকাতার তাবড় দলগুলোর নাকের ডগায় টানা দ্বিতীয়বার খেতাব জিতে নেয় পাহাড়ি দলটি ৷

