পঞ্জাবের বন্য়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল 29 ৷ এখনও বেশ কিছু এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন ৷ সেখানকার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কোনও তথ্য নেই প্রশাসনের কর্তাদের কাছে ৷ আর তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ৷ সোমবার রাতে দেশে ফিরে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সবিস্তারে জানার চেষ্টা করেন ৷ উদ্ধারের কাজ কীভাবে চলছে সেটাও খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী ৷ এই পরিস্থিতিতে কী করলে দুর্গত মানুষের উপকার হবে তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে ৷ সূত্রের খবর বেশ কয়েকটি পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ৷ পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সব ধরনের সাহায্য়ের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি ৷ মঙ্গলবার রাজ্যপাল গুলাব চাঁদ কাটারিয়া রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করবেন বলে জানা গিয়েছে ৷ বন্যার জেরে গোটা রাজ্যের জনজীবন বিপর্যস্ত ৷ ঘর ছাড়া বহু মানুষ ৷ প্রচুর গবাদি পশুরও প্রাণ গিয়েছে ৷ পড়ুয়াদের নিরাপত্তার স্বার্থে রাজ্যের সর্বত্র স্কুল থেকে শুরু করে কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে ৷ বুধবার থেকে আবারও পঠনপাঠন শুরু করার পরিকল্পনা প্রশাসনের ৷ তবে মৌসম ভবনের তরফে সোমবার রাতে আবারও জানানো হয়েছে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের প্রায় সর্বত্র ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে ৷ এমতাবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খোলা সম্ভব কি না তা নিয়ে প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে ৷ টানা বৃষ্টির জেরে অমৃতসরের পরিস্থিতি বেশ খারাপ ৷ উদ্ধারের কাজে গতি আনতে ড্রোনের সাহায্য় নিয়েছে প্রশাসন ৷ কোথাও কেউ আটকে পড়েছেন কি না জানতে ড্রোনের মাধ্যমে চলছে নজরদারি ৷ পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা উদ্ধারের কাজে খতিয়ে দেখছেন ৷ প্রায় একই অবস্থা জলন্ধরের ৷ শহরের আশপাশে থাকা সবকটি নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে ৷ নদীর আশপাশে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে ৷ রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্যদিকে যাওয়ার বেশ কয়েকটি রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে ৷ অনেককেই ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে ৷ বৃষ্টি না থামায় উন্নয়নের কাজে গতি আনতে পারছে না প্রশাসন ৷ রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ৷