কয়েক দিনের জল্পনা, আলোচনা এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পর প্রবীণ নেতা ভিডি সতীশনকেই কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করল কংগ্রেস। পরস্পরবিরোধী মত, রাহুল-মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ নেতাদের মধ্যে  আলোচনার পর এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয় অবশেষে। এই পদ নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরমহলে ছিল দ্বন্দ্ব। সতীশন জানিয়ে দিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী হওয়া ছাড়া তিনি অন্য কিছুতে তিনি রাজি নন। এদিকে আবার সূত্রের খবর ছিল, কে সি বেণুগোপালকে মসনদে বসাতে চায় দিল্লি। তিরুবনন্তপুরমে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদর দফতরে অনুষ্ঠিত কংগ্রেস বিধায়ক দলের বৈঠকে ভিডি সতীশন আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। এদিন সকালেই কংগ্রেস সাংসদ কেসি বেণুগোপালকে নয়াদিল্লিতে রাহুল গান্ধির বাসভবনে পৌঁছতে দেখা যায়। সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলার সময় শীর্ষ নেতা দীপা দাসমুন্সি, অজয় ​​মাকেন এবং মুকুল ওয়াসনিকও দিল্লিতে ছিলেন। কিছুক্ষণ আগে পর্যন্তও কংগ্রেস নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নীরবতা বজায় রেখেছিলেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই সতীশনের বাসভবনের বাইরে ছিল উৎসবের আমেজ। বৈঠকের আগেই দলীয় কর্মীরা উল্লাস করে তাঁকে শুভকামনা জানান। ৪মে প্রকাশিত হয় অসম, কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং পুদুচেরির ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। ৪ঠা মে সকাল ৮টায় ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হয়, এরপর ইভিএম-এ ভোট গণনা হয়। এই নির্বাচন ছিল ৮০ বছর বয়সী পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন LDF-এর কাছে এক অগ্নিপরীক্ষা। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার পতনের পর কেরলই ছিল এখন ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে বামেরা ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু বিজয়ন সরকার এবার হ্যাট্রিক করতে পারলেন না।