শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, দুর্গাপুজোর বিষয়টি নিয়ে এখনও আলোচনা হয়নি। বিষয়টি তথ্য সংস্কৃতি দফতরের আওতাভুক্ত। আর সেই দফতর মুখ্যমন্ত্রীরই হাতে। তাঁর সঙ্গে একজন রাষ্ট্রমন্ত্রীও আছে। তিনি আলোচনা করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ‘পুজো অনুদান তাঁরাই পাবেন, যাঁদের অর্থের দরকার‘। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওই সামান্য পরিমান সরকারি অর্থ যাদের প্রয়োজন নেই, তাদের দেওয়ারও দরকার নেই। আর যারা এই অর্থের অভাবে পুজো করতে পারেন না বা পারছেন না, তাঁদের অনুদান দেওয়া হবে। যাদের প্রয়োজন নেই, তাদের দেওয়ারও দরকার নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পুজো হবে, আরও বেশি করে হবে। পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজো কমিটিগুলোর জন্য রাজ্য সরকারের আর্থিক অনুদান প্রথম চালু হয় ২০১৮ সালে। সেই সময় প্রতিটি পুজো কমিটিকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রতি বছরই ধাপে ধাপে এই অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০১৯ সালে তা বেড়ে হয় ২৫ হাজার টাকা, ২০২০ ও ২০২১ সালে ৫০ হাজার টাকা, ২০২২ সালে ৬০ হাজার টাকা, ২০২৩ সালে ৭০ হাজার টাকা এবং ২০২৪ সালে ৮৫ হাজার টাকা। ২০২৫ সালে অনুদানের অঙ্ক এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। শুধু আর্থিক অনুদানই নয়, রাজ্য সরকার দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে বিদ্যুৎ বিলে বিশেষ ছাড়, ফায়ার লাইসেন্স ফি মকুবসহ একাধিক সুবিধাও দিত। সেই সময় বিরোধী দল বিজেপি এই হারে ক্লাবগুলিকে অনুদান দেওয়ার বিরোধিতা করে।

