তৃণমূলের সংসদীয় দলের ভাঙন ঘিরে দিল্লিতে টানটান নাটক ! একদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে একজোট হয়ে বৈঠক করছেন দলেরই ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা ৷ ঠিক সেই সময় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার 20 নম্বর আকবর রোডের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে আগেভাগে চিঠি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আস্থা রাখা দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ ৷ কিন্তু ওম বিড়লা সেসময় বাড়িতে না-থাকায় তাঁর কার্যালয়ের তরফে চিঠিটি গ্রহণ করা হয়েছে ৷ অন্যদিকে তৃণমূলের ভাঙনের আশঙ্কায় ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ও ৷ তিনি লোকসভায় দলনেতাও ৷ অভিষেক চিঠিতে জানিয়েছেন, আইনত তৃণমূল কংগ্রেস একটিই দল এবং দলের অন্য কোনও গোষ্ঠী নেই ৷

ওম বিড়লার দ্বারস্থ

লোকসভার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, “আমরা অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে চিঠি দিয়ে আবেদন জানিয়েছি ৷ এর আগে তাঁকে ইমেলে আবেদন করেছি ৷ তিনি ছিলেন না ৷ তাঁর কার্যালয়ে চিঠি জমা দিয়েছি ৷ সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ রায়ে জানিয়েছে, কোনও দলে এভাবে ভাঙন হতে পারে না ৷ মহারাষ্ট্রে যা হয়েছে, তা ঠিক হয়নি ৷ আশা করি, মাননীয় স্পিকার আইন অনুযায়ী কাজ করবেন ৷ আমাদের আবেদন তিনি গ্রহণ করেছেন ৷” তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের সাংসদরা এই যে পৃথক দলের স্বীকৃতি চাইছেন, সংবিধানে এর কোনও বিধান নেই ৷ মহারাষ্ট্রে এই ঘটনা নিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে ৷ মনে রাখতে হবে বিচারে দেরি হওয়া মানে আদতে বিচারটাকেই অস্বীকার করা ৷ অধ্যক্ষের উপর আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে ৷ তিনি যথোচিত সিদ্ধান্ত নেবেন ৷ সাংবিধানিক বেঞ্চও এটাই বলেছে যে, আলাদা কোনও গোষ্ঠী হতেই পারে না ৷”