সংসদে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে নরেন্দ্র মোদী সরকার যে আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) করতে চাইছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে সংসদে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা পর্যন্ত আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ভোটা আছে। তার আগেই আচমকা ২০২৩ সালে পাশ হওয়া মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করে দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। মোদি সরকারের এই পদক্ষেপের কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারই বিজ্ঞপ্তি জারি করে সংসদে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন কার্যকর করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক। কিন্তু সংসদে আলোচনার মধ্যেই কেন তা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া, তার উত্তর অবশ্য এখনও মেলেনি। বছর তিনেক আগে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ করানোর সময় মোদী সরকার জানিয়েছিল, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ ২০২৯ সালের লোকসভা ভোটের আগেই কার্যকর করা হবে এবং তার জন্য আসন পুনর্বিন্যাস জরুরি। তা হওয়ার আগেই কেন এই সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার, এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। যদিও মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার জন্য সরকার পক্ষ যে তিন বিল এনেছে, তা পাশ করানোর মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই তাদের কাছে। বিরোধীরাও জানিয়ে দিয়েছে, মহিলা সংরক্ষণে তাদের নৈতিক সমর্থন থাকলেও, যে ভাবে আসন পুনর্বিন্যাস করে তা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার বিরোধিতা করা হবে। ফলে সরকারের পক্ষে এ যাত্রায় মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা কার্যত অসম্ভব। সরকার পক্ষও এই অঙ্ক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। প্রশ্ন, তা সত্ত্বেও কেন মহিলা সংরক্ষণ আইন এত তাড়াহুড়ো করে কার্যকর করা হলো?

