ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে ৷ রবিবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর আরও ফুঁসছে ইরান ৷ সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু ব্যর্থ হবে না দাবি করে পাল্টা আঘাতের হুমকি দেয় তেহরান ৷ যার ফলে তেহরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্ররা তীব্র প্রতিশোধ নিতে শুরু করেছে । সোমবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবি, কাতারের রাজধানী দোহা, এবং বাহরিনের রাজধানী মানামাতে পরপর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। গল গল করে বেরোচ্ছে কালো ধোঁয়া। ইরানের বহু ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন আকাশেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও সেগুলির ধ্বংসাবশেষ মাটিতেই পড়তেই বিস্ফোরণ ঘটছে এবং জায়গায় জায়গায় আগুন লেগে যাচ্ছে। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড এই হামলাকে ‘বড় আক্রমণ’ বলে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে, ইজরায়েলের জেরুজালেম এবং তেল আভিভেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ইজরায়েলি সেনা দাবি করেছে, ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হচ্ছে। তবে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। বাসিন্দাদের সতর্ক করার জন্য তেল আভিভে বাজছে সাইরেন।  কুয়েতে বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। তবে সকল ক্রু বেঁচে গেছেন বলে জানায় মন্ত্রণালয়। সোমবারের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি যুদ্ধবিমানে আগুন লেগেছে। সে অবস্থায় এটি নিচে পড়ছে। যা আরও বিস্তৃত সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে । এর পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷