ফের আদালতে ধাক্কা খেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ট্যারিফকে আগেই ‘বেআইনি’ বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট ৷ এবার উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য H-1B ভিসায় 1 লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিল বস্টনের জেলা আদালত ৷ রায় ঘোষণার সময়ে বিচারক লিও সোরোকিন জানিয়ে দেন, এই বাড়তি ফি আদতে একটি ট্যাক্স। মার্কিন কংগ্রেস প্রেসিডেন্টকে এমন ট্যাক্স আরোপের অনুমতি দেয়নি। তাই বাড়তি ভিসা ফি বাতিল করা হল। সোমবার 42 পাতার রায়ে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন আদালত। আমেরিকায় দক্ষ ও উচ্চশিক্ষিত বিদেশি কর্মীদের রুখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের H-1B ভিসার আবেদনের ওপর 1 লক্ষ ডলারের ফি আরোপ করেছিলেন ৷ H-1B হল আমেরিকার একটি অ-অভিবাসী ভিসা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা সাময়িকভাবে আমেরিকায় থেকে সেখানকার সংস্থার হয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই ভিসার নিয়মে কড়াকড়ি করেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলেন, ভিনদেশের কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে H-1B ভিসার আবেদনের সময়ে 1 লক্ষ ডলার জমা দিতে হবে মার্কিন সংস্থাগুলিকে। এর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল আমেরিকার বস্টনে এক ফেডারেল কোর্টে। সোমবার ফেডারেল বিচারক এই বিপুল অঙ্কের ফি বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিল করেন । বিচারকের মতে, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এই ফি আরোপ করা হয়েছিল ৷ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বস্টনের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক লিও সোরোকিন এই ভিসা নীতি বাতিল করেছেন । তিনি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, নির্বাহী বিভাগ তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করেছে এবং ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রসিডিউর অ্যাক্ট’ (প্রশাসনিক কার্যপ্রণালী আইন) লঙ্ঘন করেছে ৷ যে আইনটি ফেডারেল সংস্থাগুলোর নিয়মকানুন প্রণয়ন ও জারির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে । সোরোকিন তাঁর আদেশে লিখেছেন, “আদালত মনে করে যে, এই নীতিটি কংগ্রেসের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই H-1B আবেদনের ওপর একটি কর বা ফি আরোপ করেছে ।”