জোড়া ঘূর্ণাবর্তের হাত ধরে বৃষ্টি দুর্যোগ রাজ্যজুড়ে। নিম্নচাপ অক্ষরেখার অবস্থান কিছুটা উত্তরবঙ্গের দিকে। ফলস্বরূপ বৃষ্টির প্রভাব বেশি হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন অঞ্চলে। রথযাত্রার দিনে বৃষ্টির দাপট থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আবহে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আবহবিদ অন্বেষা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অসমে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত। আর বাংলাদেশেও ঘূর্ণাবর্ত। মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর। রাজস্থান থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী অক্ষরেখা পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের মিজোরাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর ফলে বৃষ্টি পরিস্থিতি রাজ্যজুড়ে।
উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকছে। আজ জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও আলিপুরদুয়ারে অতি বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি অর্থাৎ 200 মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে কোথাও কোথাও। এই তিন জেলা ছাড়া উত্তরবঙ্গের বাকি জেলায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সর্তকতার সঙ্গে দমকা বাতাস 30 থেকে 40 কিলোমিটার গতিবেগে বইতে পারে। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা ও মাঝারি বৃষ্টির সর্তকতার সঙ্গে দমকা বাতাস 30 থেকে 40 কিলোমিটার গতিবেগে বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ক’য়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে। উত্তরবঙ্গ এবং পূর্ব দিকের লাগোয়া দক্ষিণের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। সব জেলাতেই আগামী পাঁচ দিন দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। রবিবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলায়।
কলকাতায় আগামী ৩ থেকে ৭ দিন বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকবে। শহর তিলোত্তমার জন্য আপাতত ৫ দিন কোনও সতর্কতা নেই। রথের দিন এবং তারপর দিন বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পাবে।

