শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। বড় জয় পেয়েছে ‘ককরোচরা’। ছাত্র আন্দোলনের এই সাফল্যে ভর দিয়েই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে কোমর বাঁধছে বিরোধীরা। সোমবার বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তুলতে চলেছেন তাঁরা। রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানালেন সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস।

এক নজরে

  • শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ার পর বিরোধীরা এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তুলতে চলেছে।
  • সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনে এই দাবি তোলার কথা জানিয়েছেন সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস।
  • অভিযোগ, NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনের সময় দিল্লিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে।
  • ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি পদক্ষেপের দায় অমিত শাহের উপর চাপিয়েছে বিরোধীরা।
  • জন ব্রিটাসের দাবি, প্রশ্নফাঁস রোধে আইনের অভাব নয়, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবই মূল সমস্যা।
  • বিরোধীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের Public Examinations (Prevention of Unfair Means) Act কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি কেন্দ্র।
  • কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ INDIA জোটের দলগুলি সংসদে এই ইস্যুতে আলোচনার দাবি জানাবে।
  • দিল্লি পুলিশ পেলেট গান ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। RAF এখনও এ বিষয়ে কোনও প্রকাশ্য মন্তব্য করেনি।
  • সোমবার লোকসভায় Public Examinations (Prevention of Unfair Means) Amendment Bill, 2026 পেশ হওয়ার কথা।
  • প্রস্তাবিত সংশোধনীতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল, ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং সংগঠিত জালিয়াতির ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার প্রস্তাব রয়েছে।

NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লিতে সংসদ অভিযানের সময়ে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের উপরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয়, কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয় বলেও অভিযোগ। পড়ুয়াদের উপরে পুলিশি জুলুমের প্রতিবাদেই অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তুলছেন বিরোধীরা। জন ব্রিটাস বলেন, ‘শনিবার অমিত শাহ বলেছিলেন, সরকার আন্দোলনকারী যুবকদের সম্মান করে। কিন্তু গত ৩৬ দিন সেই সম্মান কোথায় ছিল?’

ছাত্রছাত্রীদের উপরে পুলিশি পদক্ষেপের সমস্ত দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘাড়েই চাপিয়েছেন তিনি। ব্রিটাসের কথায়, ‘দিল্লির রাস্তায় ছাত্রছাত্রীদের মারধর করা হয়েছে, তাঁদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ এর পরেই তাঁর দাবি, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের মতো অমিত শাহকেও পদত্যাগ করতে হবে। নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের উপর যে নৃশংস হামলা হয়েছে, তার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।’