বঙ্গ বিজেপি আজ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের নিয়ে এসে নির্বাচনী জনসভা করালেও শেষপর্যন্ত মাঠ ভরাতে পারল না। ফ্লপ হবে সভা তা আগেই আশঙ্কা ছিল! তাই রবিবার মাঠ ছোট করে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রচারকদের আসরে নামিয়েও জনসভায় ভিড় জমাতে পারছে না বিজেপি নেতৃত্ব। আর তাতেই অংইত শাহ-জেপি নাড্ডাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ক্রমশ গভীর হচ্ছে। আগেই ঝাড়গ্রামে প্রত্যাশিত ভিড় না হওয়ায় সভা বাতিল করতে হয়েছিল অমিত শাহ-জেপি নাড্ডাদের। আর গত মঙ্গলবার ও পুরুলিয়ায় কার্যত ফাঁকা মাঠেই সভা করেছিলেন হিন্দুত্বের পোস্টার বয় তথা যোগী আদিত্যনাথ। আজ রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের মাঠও ফাঁকা। ফের মুখ পুড়ল বিজেপির। এদিন পুরুলিয়ার কাশীপুরে সেবাব্রতী সঙ্ঘের যে মাঠে এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী সভা করলেন, সেই মাঠেই আগামী মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করবেন। সভার শুধু পেছনের অংশ নয় মাঝখানেও একাধিক চেয়ার ফাঁকা ছিল। অথচ সভায় উপস্থিত ছিলেন কাশীপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কমলাকান্ত হাঁসদা, বিজেপির রাজ্যের সাধারন সম্পাদক তথা পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী। যা নিয়ে অস্বস্তি আরও বেড়েছে কাশীপুর বিধানসভার বিজেপি নেতৃত্বের। এদিন রেলমন্ত্রীর সভার সময় দুপুর একটা থাকলেও শুরু হতে আড়াইটে বেজে যায়। তবে মাঠ ভরতি না হলেও এদিনের ফাকা মাঠের সভা থেকেই রেলমন্ত্রী নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় যুব তৃণমূল সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। পিসি-ভাইপোর কথা বলে পরিবারতন্ত্র সামনে এনে কাশীপুরের বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়াকেও আক্রমন করেন রেলমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘পিসি-ভাইপোর পরিবারতন্ত্রের সঙ্গে কাশীপুরে বাবা-ছেলে-মেয়ের অত্যাচারের শাসন চলছে। থানার মধ্যেও ঢুকে মারপিট করছে। এবার সময় এসেছে বদল করার।’