মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নানের আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আশা পুণ্যার্থীর ভিড় গঙ্গাসাগরে। ইতিমধ্যে ৮ জানুয়ারি শুরু হয়েছে এবারের গঙ্গাসাগর মেলা । মেলার শুরুতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক হাজার পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগরে এসে ভিড় জমাতে শুরু করেছে। কুম্ভ মেলার পরেই দেশের সবথেকে বড় মেলা হিসেবে ধরা হয় গঙ্গাসাগর মেলাকে। কথায় আছে ‘সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর একবার’। তাই গঙ্গাসাগর মেলা মানেই পুণ্যার্থীদের কাছে একটি আবেগ, বিশ্বাস এবং পুণ্য লাভের জায়গা। প্রতিবছর গঙ্গাসাগর মেলায় দেশ-বিদেশ থেকে গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি দর্শন এবং পুণ্য স্নানে ছুটে আসে লাখো লাখো পুণ্যার্থীরা। এবারের গঙ্গাসাগর মেলায় ছবিটাও ঠিক একই। মেলার শুরু থেকেই দেশ-বিদেশ থেকে পুন্যার্থীরা আসতে শুরু করেছে গঙ্গাসাগরে। অন্যদিকে বিগত কয়েক বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় গঙ্গাসাগর মেলা চলাকালীন সাগর তটে সাগর আরতি মেলায় এক আলাদা মাত্রা এনে দেয়। আগামী ১৪ ই জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাগর তটে এই সাগর আরতি করা হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। তবে মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নানে এখনও দুটো দিনের অপেক্ষা। তবে তার আগেই মেলার শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছে কপিলমুনি মন্দির চত্বরে। মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নান উপলক্ষে কার্যত কয়েকটা দিন মিনি ভারতবর্ষে হয়ে উঠেছে গঙ্গাসাগর।