নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে আজ, শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্য বিধানসভার বিধায়কদের দু’দিনের প্রশিক্ষণ শিবির। ৩ ও ৪ জুলাই আয়োজিত এই বিশেষ কর্মসূচিতে অষ্টাদশ বিধানসভায় প্রথমবার নির্বাচিত হওয়া ২০০-রও বেশি বিধায়ক অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের পরিষদীয় রীতি-নীতি, আইন প্রণয়ন এবং বিধানসভায় কার্যকর ভূমিকা পালনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। প্রশিক্ষণ শিবিরে বিধায়কদের শেখানো হবে কীভাবে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিতে হয়, সংসদীয় কমিটি ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া, প্রাইভেট মেম্বার বিল, আইনসভার আর্থিক কার্যাবলি এবং বাজেট প্রক্রিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি বিষয় আলাদা অধ্যায়ে ভাগ করে বিশেষজ্ঞ ও অতিথি বক্তারা বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
এদিন ওম বিড়লা বিধায়কদের উদ্দেশে বলেন, “একজন বিধায়কের ওপর রাজ্যের মানুষের আশা-প্রত্যাশা অনেক থাকে। রাজ্যের আইন, মানুষের অবস্থা এবং সার্বিক উন্নয়ন, সবই বিধায়কদের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে। ভালো বিধানসভা সেটাই, যেখানে সমস্যার পাশাপাশি সমাধানের পথ খোঁজা হয়।” তিনি বিধায়কদের পরামর্শ দেন, নিয়মিত পুরোনো আলোচনা ও বিতর্কগুলি পড়ার অভ্যাস করতে। তথ্যের ওপর নির্ভর করে আলোচনায় অংশ নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।
বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগের কথা উল্লেখ করে লোকসভার স্পিকার বলেন, “আমরা এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই-এর যুগে বাস করছি। ডিজিটাল দুনিয়ায় এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের তথ্য নিমেষেই পাওয়া সম্ভব। চাইলে অন্য দেশের বাজেটও দেখে নিতে পারেন। বিধায়কদের শেখার ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা সর্বদা বজায় রাখতে হবে।”পশ্চিমবঙ্গের ভূমির প্রসংশা করে ওম বিড়লা বলেন, “বাংলার মাটি শিল্প, শিক্ষা ও উদ্যোগের মাটি। এই রাজ্যের হৃত গৌরব বা ঐতিহ্যকে ফের পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।” পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর একটা দূরদর্শিতা রয়েছে। তিনি গণতন্ত্রের কাঠামোর মধ্যেই থেকে সব কাজ করার কথা বলছেন।”

