নেতাজির জন্মবার্ষিকীতে উত্তপ্ত ভাটপাড়া। মূর্তিতে মাল্যদান ঘিরে তৃণমূল এবং বিজেপির সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল গোটা এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালানর অভিযোগ সিআইএসএফের বিরুদ্ধে। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং ভাটপাড়ার চাদু মাঠে জান নেতাজু মূর্তিতে মাল্যদান করতে। এখানেই এসে পৌঁছান ভাটপাড়ার পুর প্রশাসক এবং তার সঙ্গীরা। সেখান থেকে শুরু হয় বচসা। সেই বচসা গড়ায় হাতাহাতি এবং ইটবৃষ্টিতে। এরপরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সিআইএসএফের শূন্যে ৭ রাউন্ড গুলি চালায় এমনটাই অভিযোগ। অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকা ঘিরে রেখেছে বিশাল পুলিস বাহিনী। পাশাপাশি এখানে যেসব নেতারা এখানে এসেছিলেন তাদের সকলেই এই এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে পুলিস বাহিনী। যদিও সিআইএসএফের কেন শূন্যে গুলি চালানো হল তা এখনও পরিষ্কার নয়। জানা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে গিয়ে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ ওঠে সাংসদ অর্জুন সিং-এর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অভিযোগ, সাংসদ নিজের কেন্দ্রীয়
নিরাপত্তা বাহিনীদের দিয়ে শাসকদলের কর্মীদের লাঠিপেটা করেছে। এমনকি অর্জুনের নিরাপত্তারক্ষীরা ছয় রাউন্ড গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। নেতাজীর ১২৫ তম জন্মদিবসের দিন এই বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে রইল উত্তর ২৪ পরগনার এই জনপদ। যার ভিত্তিতে পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ভাটপাড়ায় রবিবার গুলি চলেছে কি না, তা তদন্ত শেষের পরেই বলা সম্ভব। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। রবিবার সকালেই ভাটপাড়ায় তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ থামাতে যায় র্যাফ ও ব্যারাকপুর পুলিশের বিশাল বাহিনী। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর মহকুমার ওই পুরসভায় এদিন সকালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে মাল্যদানকে ঘিরে দুই পক্ষের বিবাদে প্রথমে হাতাহাতি তারপর রীতিমত ইটবৃষ্টি শুরু হয়। এই ঘটনায় বিজেপির তরফে দুটি মামলা ও তৃণমূলের তরফে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ভাটপাড়া। গুলি, ইটবৃষ্টি কিছুই বাদ যায়নি রবিবারের ছুটির দিন। ঘটনায় উত্তপ্ত বজায় রয়েছে ভাটপাড়ায়।

