বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক বদলি বিল পেশ করার পর এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ফের একবার সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বামেদের বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যা খুশি করবেন নাকি? এটা কি দেশ না রাজ্যের বাইরে? (যাদবপুর) যাদবপুরে এক শ্রেণীর মুষ্টিমেয়, বামপন্থীদের জামা গায়ে লাগিয়ে যেভাবে সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জ করেছেন তাতে এই আইন আনা জরুরি ছিল। এই আইন প্রয়োগ করা তাই।’ মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ‘সিপিএম অনিলায়ন করেছিল। আপনাদের দল তিন না চার টুকরো জানি না, মমতায়ণ করেছিল। আমরা সেটা করব না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও শক্তিশালী করব। দেশ বিরোধী কোনও শব্দ। ভারতীয় সংস্কৃতি বিরোধী শব্দ বললে, ধুলিয়ানে যেমন এস ডি পি ও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা তেমন ভাবেই এগোব। আপনারা ভাবতে থাকুন। এক দেশ এক নিশান এক বিধান। এক দেশ এক শিক্ষানীতিতে চলতে হবে। এই জন্যে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এনেছি আমরা উচ্চ শিক্ষা দফতরে।’ এই বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুস্তাফিজুর রানা ও নওশাদ সিদ্দিকি-সহ একাধিক বিরোধী বিধায়ক। এমনকী গৈরিকরণের চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই আইন খুবই প্রয়োজন ছিল। তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এই বিলের অপপ্রয়োগ হবে না। তবে তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে ‘কিষেণজি লাল সেলাম’, ‘ফ্রি প্যালেস্তাইন’ বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজ়াদি’র মতো স্লোগান লেখা যাবে না। যাঁরা এ সব করে, সেই টুকরে টুকরে গ্যাং-কে তিনিই টুকরো করে দেবেন।

