banganews.net

বিধানসভায় আগেই বার্তা দিয়েছিলেন ৷ সেই মতো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ৷ ভাদ্র মাসের এই মহাপুণ্য তিথিতে দেবীর চরণে অঞ্জলি দিলেন তিনি ৷ গর্ভগৃহে উপস্থিত থেকে প্রত্যক্ষ করলেন সন্ধ্যারতি ৷ পুজো পর্ব নির্বিঘ্নে মেটার পর খেলেন প্রসাদও ৷ একই সঙ্গে মন্দির চত্বরে দাঁড়িয়ে সাধারণ দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা গেল তাঁকে ৷ এদিন বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ৷ পাশাপাশি বিধানসভা কক্ষে তিনি উপস্থিত সকলকে জানিয়ে দেন, “আজ সন্ধ্যায় পুজো দিতে কালীঘাটে যাব ৷” কথা মতো দিনের সমস্ত কর্মসূচি সেরে সূর্যাস্তের পর কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তাঁর কনভয় এসে পৌঁছয় দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী এই সতীপীঠে ৷ গাড়ি থেকে নেমে ধীর পায়ে মন্দিরের দিকে এগিয়ে যান তিনি ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে একেবারে চাক্ষুস দেখতে তখন মন্দির চত্বরে সাধারণ মানুষের মধ্যে তুমুল উৎসাহ ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো । ভিড়ের দিকে তাকিয়ে হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান তিনি ৷ বেশ কয়েক জন ভক্তের দিকে এগিয়ে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন ৷ কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে ৷ এরপর হাতে ফুলের মালা ও পুজোর ডালা নিয়ে সোজা মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । উপস্থিত পুরোহিত ও সেবাইতদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় আচার মেনে পুজো সম্পন্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ বেশ কিছুক্ষণ গর্ভগৃহে ছিলেন তিনি ৷ মা কালীর দর্শন সেরে অংশ নেন বিশেষ আরতিতে ৷ শাস্ত্রীয় বিধি পালনের পর সেবাইতরা তাঁর হাতে ভোগের প্রসাদ তুলে দেন ৷ এদিন কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে আমিষ বিতর্কের কার্যত অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি মন্দিরে পুজো দিয়ে মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন। মাটিতে বসে ভোগের বাসন্তি পোলাও, মাছের মাথা, মাছ ভাজা খান তিনি।পুজো শেষে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সার্বিক শান্তি, কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করেন তিনি ৷