banganews.net

ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন আগেই। এবার ককরোচদের আরও ৩ দাবি মেনে নিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। অর্থাৎ আন্দোলনকারীদের কার্যত সব দাবিই মেনে নিল কেন্দ্র। সরকারের কাছে দাবি মানার লিখিত গ্যারান্টি পেয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিল ককরোচ জনতা পার্টি। অর্থাৎ দিল্লির যন্তরমন্তরে প্রায় মাসখানেক ধরে যে আন্দোলন চলছিল, সেই আন্দোলন সাফল্য পেল। শুক্রবার কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে ‘ককরোচ’রা মূলত ৩টি দাবি জানান। এক, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। দুই, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা যাবে না। বা যে সব মামলা ইতিমধ্যেই দায়ের হয়েছে সেগুলি প্রত্যাহার করা হবে। তিন, যে সব পড়ুয়া নিটে প্রশ্নফাঁসের জেরে অবসাদে আত্মহত্যা করা সব পড়ুয়ার পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে আর্থিক সাহায্য করতে হবে। তিন শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে পাঁচ দফা প্রস্তাব মানতে হবে। শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ার পরই ককরোচ জনতা পার্টির দুই প্রতিনিধির সঙ্গে ফের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং। এদিনের আলোচনায় ককরোচদের দ্বিতীয় দাবি পুরোপুরি মেনে নেওয়ার লিখিত গ্যারান্টি দিয়েছে সরকার। বৈঠক শেষে জেপি নাড্ডা জানান, “আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভের জেরে আর কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। দিল্লি বা অন্য বিজেপি শাসিত রাজ্যে এই বিক্ষোভ চলাকালীন যে সব এফআইআর দায়ের হয়েছে সেগুলি প্রত্যহার করা হবে। আগামী দিনেও এই বিষয়ে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আর কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না।” ১ কোটি টাকা আর্থিক প্রতিশ্রুতির দাবি প্রসঙ্গে সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, “পড়ুয়াদের প্রতি আমরাও সহানুভূতিশীল। এ বিষয়ে আইন মোতাবেক যতটা বেশি পরিমাণ আর্থিক সাহায্য সরকারের পক্ষে করা সম্ভব, সেটা করা হবে।” ককরোচদের তৃতীয় দাবি অর্থাৎ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে কেন্দ্র আগামী দিনে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। এবং এক্ষেত্রে পড়ুয়াদের মতামত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন জেপি নাড্ডা।