কোলাঘাটের বৈঠক শেষে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ এদিন প্রায় ২ ঘণ্টা প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ এদিনের বৈঠকে দেব ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান করার জন্য অনুরোধ করেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কথা দেন, বলেন, ‘‘করে দেওয়া হবে।’’ সূত্রের খবর, এদিন কোলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে ঘাটাল লোকসভার সংসদ দীপক অধিকারীকে ‘আমার ভাই’ বলে সম্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, ‘‘তুমি আমার ব্রাদার।’’ তিনি জানান, ‘‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে তুমি যা কমিটমেন্ট করেছো সেটা পূরণ করার দায়িত্ব আমার। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এর দায়িত্ব আমার, আমার উপর ছেড়ে দাও।’’ অন্যদিকে, বৈঠক শেষে বেরিয়ে দেব স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘‘দেব পাল্টায়নি৷’’ ঘাটালের মানুষের কাছে ‘ঘাটাল প্ল্যান’ কার্যকর করার বিষয়ে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷ সেই কারণেই বর্তমান সরকারের কাছে তিনি মানুষের কথা তুলে ধরেছেন৷ দেব বলেন, ‘‘২০১৪ থেকে আমায় দেখছেন৷ আমি সবসময় সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছি৷ দেব পাল্টায়নি৷ কেউ কোনও দিনও বলতে পারবে না আমি মঞ্চ থেকে কারও সম্বন্ধে কোনও কথা বলেছি৷ আমি মানুষের হয়ে কাজ করে এসেছি, তাই করব৷’’ মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলা নিয়ে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিরারী৷ সেখানে আধিকারিকেরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ-বিধায়কেরা৷ উপস্থিত ছিলেন শিউলি সাহা, জুন মালিয়ারাও৷ বেলা ১২টা বেজে ৩ মিনিট নাগাদ প্রশাসনিক সভায় পৌঁছন দেব৷ মুখ্যমন্ত্রীর পরে, সবশেষে বলাকা মঞ্চে ঢুকে মুল মঞ্চেই বসেন তিনি৷
এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভায় আমন্ত্রণ পেয়ে আপ্লুত জুন মালিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘এতদিনে আমরা উদ্ধার হলাম৷’’ অন্যদিকে, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনটাই বলেন মেদিনীপুরের সংসদ জুন মালিয়া বলেন, ‘‘আমাদের আপনি “ল্যাম্পপোস্ট” থেকে উদ্ধার করলেন।’’ সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে জুন মালিয়া বলেন, ‘‘আপনি জানেন যে মেদিনীপুরের সংসদ হিসেবে আমি যা কাজ করার চেষ্টা করেছি সেখানে আমাকে বাধা দেওয়া হয়েছে।’’ শুভেন্দু অধিকারী তার উত্তরে বলেন, ‘‘উন্নয়নমূলক যা যা পরিকল্পনা তিন জেলার জন্য রয়েছে তা আমাদের ২২ তারিখের মধ্যে পাঠান। যাতে বাজেটের মধ্যে আমরা সেটা অন্তর্ভুক্ত করতে পারি। ’’

