আবার বোমা হামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবারের লক্ষ্য ওমান। তাঁর স্পষ্ট কথা, তারা যদি ইরানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে হরমুজ প্রণালীতে দখলদারি করে জলপথে আমেরিকার প্রভুত্বে হস্তক্ষেপ করার প্রয়াস করে তবে মার্কিন হামলার মুখে পড়তে হবে । আমেরিকার সামরিক বাহিনী ওমানে বোমা হামলা চালাবে । আর সেই হামলা ওমানের জন্য মোটেই সুখকর হবে না । ফক্স নিউজের প্রতিনিধির সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তিনি জানান, জুন মাসে আমেরিকার সঙ্গে ইরানের 60 দিনের যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শেষ করাই ছিল সেই চুক্তির মূল কথা। এমন দাবি করে ট্রাম্প বলেন, “ইরানকে শান্তির সাদা পতাকা দেখাতেই হবে ।” তবে তার জন্য় কোনও সময় নির্দিষ্ট করে দিতে চান না প্রেসিডেন্ট । তাঁর যে কোনও তাড়া নেই সেটাও বলতে ভোলেননি তিনি । মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, নৌ-বাহিনী জলপথ এখনও অবরুদ্ধ রেখেছে যাতে ইরানের উপর নতুন করে আর্থিক চাপ তৈরি করা যায় । কিন্তু ইতিমধ্য়ে তেহরান ট্রাম্পের বক্তব্যের একেবারে উল্টো মন্তব্য করেছে । সেই বক্তব্যের জবাবে কটাক্ষের সুরে ট্রাম্প জানান, ইরান পোকার খেলায় ওস্তাদ । কিন্তু এখন তারা মৃতপ্রায়। আমেরিকার সাম্প্রতিক ইরান নীতির সঙ্গে অন্তর্বর্তী নির্বাচনের যোগাযোগ আছে কি না এই প্রশ্ন গত কয়েকদিন ধরেই উঠছে । যদিও ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই দুটি বিষয়ের মধ্য়ে যোগাযোগে স্থাপনের কোনও কারণ নেই ।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে আমেরিকার অস্ত্র ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে । অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কতটা অবশিষ্ট সেটা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা । কিন্তু এই জল্পনাও স্বমহিমায় খারিজ করেছেন ট্রাম্প । তিনি বলেন, “আমাদের সামগ্রিক সামরিক শক্তির বিচারে এখনও পর্যন্ত যা খরচ করেছি তা সামান্য। আমাদের কাছে এখনও বহু অত্যাধুনিক অস্ত্র আছে ।”
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার রেশ এবার নৌ-বাহিনীর উপর পড়তে শুরু করেছে ৷ আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী লাগাতার কাজ করায় তার সক্ষমতা সর্বোচ্চ বিন্দু পেরিয়ে গিয়েছে ৷ অন্যদিকে, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রধান যুদ্ধজাহাজ না-থাকায় অন্য একটি সমস্যা তৈরি হয়েছে ৷ তার সুযোগ নিয়ে চিন ওই অঞ্চলে ক্রমশ আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে শুরু করেছে ৷

