যাদের ভোটে জিতে সাংসদ হয়েছেন সেই মতুয়াদের নামই বিজেপি এসআইআরের মাধ্যমে বাদ দিয়ে দিয়েছে! রানাঘাটের সভা থেকে এভাবেই বিজেপিকে বিঁধলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, যাদের নাম বাদ দিয়েছে তারা সিএএ-তে ফরম ফিলাপ করবেন না। ৪ মে আমরা জেতার এক মাসের মধ্যে আপনাদের নাম তুলে দেব। তাঁর কথায়, বিজেপির জেতার পর উন্নয়নের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। অসমে উনিশ লক্ষ লোকের মধ্যে ১২ লক্ষ হিন্দুকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়েছে এনআরসি করে। বিজেপি মানেই ডিটেনশন। তৃণমূল মানে নো টেনশন। এদিন রানাঘাটের সভা থেকে রাজ্যের করা উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন অভিষেক। বলেন, আনুলিয়া হাসপাতালের জন্য ২৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। চূর্ণী নদীর উপরে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ, পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন বিদ্যুৎ স্টেশন নির্মাণ, বিননগর তাহেরপুর অঞ্চলকে ঢেলে সাজিয়েছি। এর পরই অভিষেকের তোপ, রেলের কোনও আধিকারিক বা কোনও টিম রানাঘাট অঞ্চলে এখানকার উন্নয়নের জন্য বৈঠক করেছে এমন কোনও নজির দেখাতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। বিজেপির জেতার পর উন্নয়নের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। ৬৪টি নতুন রাস্তা রানাঘাট এক নম্বর ব্লকে হয়েছে। ৩৯ কিলোমিটার রাস্তা শুধু আটটা গ্রাম পঞ্চায়েতেই তৈরি হয়েছে। যুব সাথী প্রকল্পে ১৫ হাজার ৬১৭ জন প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন। রানাঘাটে উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রে ৭৭ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। টোটাল এই রানাঘাট জেলায় জন্য পাঁচ বছরে ৯০০ কোটি টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য খরচ করছেন। শংকর সিংয়ের আশীর্বাদ নিয়ে প্রার্থী তাপস ঘোষ এবার সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করবেন।