জ্যোর্তিময় দত্ত, কলকাতাঃ রাজ্যের একাধিক জেলা কনটেনমেন্ট জোনে কড়া লকডাউনের পথে হাঁটতে চলেছে। ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, মালদা মতো বেশ কিছু জেলা নবান্নে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল কিছু কিছু জায়গায় কড়া লকডাউনের। নবান্ন সেই প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছে। বাংলায় সংক্রমণ ঠেকাতে শুধু কনটেনমেন্ট জোনই নয়, বাফার জোনেও লকডাউন কড়াকড়ি করার নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। বাড়ানো হচ্ছে কনটেনমেন্ট জোনের পরিসরও ৷ আজ একথা জানিয়ে সব জেলার জেলাশাসকদের কাছে নির্দেশিকা পাঠালেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ নির্দেশিকা অনুযায়ী, জরুরি পরিষেবা ছাড়া সমস্ত কাজ বন্ধ থাকবে এই এলাকাগুলিতে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বিভিন্ন বিধি নিষেধেরও উল্লেখ করা হয়েছে ৷ বলা হয়েছে, এই সমস্ত কনটেনমেন্ট জোনে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখতে হবে ৷ জরুরি পরিষেবা ছাড়া যে কোনও পরিষেবাই এই জ়োনগুলিতে বন্ধ রাখতে হবে ৷ যে কোনও রকমের জমায়েতেও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা ৷ বন্ধ রাখা হবে শিল্প, ব্যবসা ও বাজারের কার্যকলাপও ৷ জরুরি ছাড়া সবরকম পরিবহনও বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে এই নির্দেশিকায় ৷ তবে কোথাও কতটা লাগু হবে সেটা ঠিক করার সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের হাতেই। অন্যদিকে নবান্ন সূত্রের খবর, এই সপ্তাহের মধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। তা নির্দেশিকা আকারে প্রকাশ করবেন মুখ্যসচিব। তবে শুধু উত্তর চব্বিশ পরগনা নিয়ে আলাদা করে সিদ্ধান্ত হবে না। চিহ্নিত জেলাগুলো নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হঠাৎ করে লকডাউন ঘোষণা না করে ২দিন ধরে প্রচার করা হবে এবং সঙ্গে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। ১৪ দিনের লকডাউনের প্রস্তাব থাকলেও ১০ দিন পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তারপর। তবে, তার আগে কনটেনমেন্ট জোনকে আরও বৃদ্ধি করে সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে হাঁটতে দেখা গেল রাজ্যকে। দেখে নিন রাজ্য সরকারের সেই নির্দেশিকা –


