সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর – মুষলধারে বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত শহরের জনজীবন । গতকাল ভোরের আলো ফুটতেই চারিদিক জল থৈ থৈ । উত্তর থেকে দক্ষিণ – সর্বত্র বানভাসি শহরের ছবি । কোথাও হাঁটু, তো কোথাও কোমর জল ৷ দ্বিতীয়ার সকালে দুর্গাপুজোর উৎসবময়, আলোকোজ্জ্বল শহরের ছবিটা মুহূর্তে বদলে দিয়েছিল এই বিপর্যয় । প্রমাদ গুনতে শুরু করে পুজো কমিটিগুলি । এই বিপর্যয়ের ছবি অবশ্য রাত গড়াতেই বদলে গেল । আজ বুধবার কিছুটা সদয় হওয়ায় বিভিন্ন মণ্ডপে দেখা গেল চূড়ান্ত ব্যস্ততা ৷ মণ্ডপে মণ্ডপে এদিন চলেছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি । পুজো কমিটিগুলোর নাছোড় মনোভাবের দৌলতে বিপর্যস্ত শহর ফের উৎসবমুখর হতে শুরু করেছে । ক্লাব কর্তাদের আশ্বাস, প্রকৃতির জোরালো ধাক্কা সামলে ফের জোরকদমে কাজকর্ম শুরু হয়েছে ৷ আজকালের মধ্যেই মণ্ডপগুলো দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে । মঙ্গলবার মহানগরীর ছবিটা দেখে মন ভারাক্রান্ত হয়েছিল শহরবাসীর । যে জন্য এক বছর ধরে অপেক্ষা, সেই প্রাণের প্রিয় পুজোর প্রস্তুতি তছনছ করে দেয় 5-6 ঘণ্টার রেকর্ড বৃষ্টি । শহরের উপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে ৷ সেই বৃষ্টিতে রাজপথ চলে যায় জলের তলায় ৷ আর তার জেরে যেদিকেই তাকানো যায়, পুজো মণ্ডপ কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পরপর মৃত্যুর ঘটনায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলোর যৌথ মঞ্চ ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের তরফে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখার আবেদন জানানো হয় সামাজিক মাধ্যমে । বিভিন্ন কমিটির তরফে একদিন-দুদিন পর মণ্ডপে আসার জন্য আবেদন করা হয় দর্শকদের ।