বীরভূমের তারাপীঠে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হল কমপক্ষে আটজনের ৷ সোমবার ভোররাতে এই ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ আরও অনেকে ৷ তদন্তে নেমে হোটেল মালিকের ছেলে কল্যাণ পালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরের দিকে প্রথমে হোটেলের রিসেপশনে আগুন লাগে ৷ কেউ টের না পাওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিভিন্ন দিকে । সেই সময় আবাসিকরা ঘুমোচ্ছিলেন ৷ সূত্রে খবর, পুণ্য়ার্থীরা ঘুমিয়ে থাকায় আগুন লাগার বিষয়টি টের পাননি ৷ বদ্ধ ঘরে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে । তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৮জনের ৷ মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের একই পরিবারের পাঁচজন রয়েছে ৷ যাদের মধ্যে দু’জন শিশু ৷ এছাড়া, ২৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং সাতজন চিকিৎসাধীন ৷ হোটেল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ৷ রামপুরহাট থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ৷ আহতদের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷ মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ ও প্রশাসন ৷ বীরভূম জেলার পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বন্দেশ বলেন, “ভোর পাঁচটার আশপাশে তারাপীঠের বিদেশিনী লজ থেকে একজন লোকের ফোন আসে থানায় যে এখানে ধোঁয়া বেরোচ্ছে মনে হয় আগুন লেগে গিয়েছে ৷ তারপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে ৷ দমকলবাহিনীও দ্রুতই পৌঁছয় ৷ ফায়ার ব্রিগেড ও পুলিশ যৌথভাবে এখান থেকে মোট ৩৩ জনকে উদ্ধার করেছে ৷ ব্যালকনি-সহ হোটেলের এদিক ওদিকে আটকে পড়েছিলেন এমন ২২জনকে মইয়ের সাহায্যে উদ্ধার করা হয় ৷ ১১জনকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে ৷ দুর্ঘটনার খবর সাতজনের মৃত্যু হয়েছে ৷ তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ ৷”

