প্রয়াত হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বর্ষিয়ান নেতা সোমেন মিত্র।বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। বুধবার রাত ১টা ৫০মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পেসমেকার বদলের জন্য সোমেন মিত্র হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ডায়ালিসিস শুরু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে তাঁর অবস্থার অবনতি হতেশুরু করে। এরপর এদিন গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। সোমেন মিত্র-র দেহ হাসপাতাল থেকে তাঁর বায়াভবন রোয়ার রডন স্ট্রিটে যাবে। সেখান থেকে প্রদেশ অফিসে সকাল ১১টা৩০মিনিট নাগাদ দেহ আসবে। দেহ যেতে পারে তাঁর শিয়ালদহের অফিস এবং আলহার্স্ট স্ট্রিটের বাড়িতে। কথা হচ্ছে দেহ বিধানসভায় নিয়ে যাওয়ার। বিকেলে তাঁর শেষকৃত্য হবে।বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রর মৃত্যুতে ট্যুইট করে শোকপ্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকারও ট্যুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন। রাহুল গান্ধিও টুইটে লেখেন, ‘সোমেন মিত্র মনে থাকবেন ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে । সোমেন মিত্রের পরিবার ও পরিজনের পাশে আছি এই কঠিন সময়ে ।’ অধীররঞ্জন চৌধুরী লেখেন, “সোমেন মিত্র আর নেই এটা ভাবতে পারছি না । বাংলার একটা অধ্যায় সমাপ্ত হল । সংগ্রাম করে, প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । আমার রাজনৈতিক অভিভাবক, আমাকে জনপ্রতিনিধি করার মূল কারিগর সোমেনদা-কে হারিয়ে আমি দুঃখে কাতর ও বেদনাহত হলাম ।” তিনি ১৯৭২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিয়ালদহ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। সোমেন মিত্র ১৯৯২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। ২০০৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই বছরই লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে জেতেন তিনি। ২০১৪ সালে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে পুরনো দল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। ২০১৮ সালে ফের রাজ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হন।

https://twitter.com/jdhankhar1/status/1288665539536015361
https://www.facebook.com/chowdhury.adhir/posts/2802260750018357