সোনারপুরে ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত দলের নেতা সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে ঘিরে ধরে ডিম ছোড়া হয়, তাকে কিল ঘুঁসি মারা হয়। তার জামা ছিড়ে দেওয়া হয়। কোনওক্রমে বড় কোনও ঘটনা ঘটে যাওয়া থেকে অভিষেককে বাঁচায় পুলিস। এনিয়ে কথা বলতে গিয়ে হিংসা বর্জনের আহ্বান জানিয়েও তৃণমূলের অত্যাচার নিয়ে সরব রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পাশাপাশি এই ঘটনাকে জনরোষ হিসেবে মনে করছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। অভিষেকের উপরে হামলার সময় পুলিস কেন নেই তা নিয়ে নিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি বিরোধী দলনেতা। যা হয়েছে তা নিয়ে রাজ্য সরকার বলতে পারবে। তত্কালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে গাড়ির মধ্যে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল উত্তরবঙ্গে। বিরোধী দলনেতাকে সভাসমিতি করার জন্য ১০৪ বার হাইকোর্টে যেতে হয়েছিল। যে অত্যাচার তৃণমূল কংগ্রেস আমাদের কর্মী, আমাদের মহিলাদের উপরে করেছে তাতে আমরা সংযত ছিলাম বলেই আজ তৃণমূল কংগ্রেস অক্ষত রয়েছে।