সাত দিনের মাথায় বেহালার পর্ণশ্রীতে মা-ছেলের খুনের কিনারা করল পুলিশ। এই খুনে জড়িত ছিল মৃতার দুই ভাই সন্দীপ দাস ও সঞ্জয় দাস। তাদের ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত সোমবার পর্ণশ্রীর সেনপল্লীতে আবাসনের ভিতর সুস্মিতা মণ্ডল এবং তাঁর ছেলের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। অনুমান করা হয়েছিল বেলা তিনটে থেকে পাঁচটার মধ্যেই এই খুন করা হয়েছিল। যদিও এই খুনের ঘটনায় নানা ধোঁয়াশা ছিল প্রথমে। দফায় দফায় জিজ্ঞাসা করা হয় মৃতার স্বামী তপন মণ্ডলকে। রবিবার কলকাতা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার ক্রাইম মুরলীধর শর্মা জানান, দিদির সোনার গয়নার ওপর নজর ছিল ছোট ভাইদের। মাকে খুন করার

ঘটনা দেখে ফেলেছিল ছেলে। আর তারপরেই ছেলেকেও খুন করা হয়। জানা গিয়েছে বছর ৩২-এর সন্দীপ ও ৪৪ বছরের সঞ্জয় মহেশতলা থানা এলাকার ঘোষপাড়া শ্যামপুরের বাসিন্দা। দুই ভাইয়ের আর্থিক অনটন চলছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। বাজারে ঋণও হয়েছিল। টাকার লোভেই দিদিকে খুন করার পরিকল্পনা করে তারা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ পর্ণশ্রীর ওই ফ্ল্যাটে পৌঁছয় দুই ভাই। তখন অনলাইনে ক্লাস চলছিল মৃতার ১৩ বছরের ছেলের। আর সেই সময়ই দিদিকে খুনের মতলব করেছিল সঞ্জয় এবং সন্দীপ। কিন্তু কোনওভাবে মাকে খুন করার ঘটনা দেখে ফেলে ছেলে। আর প্রমাণ লোপাট করতেই তখন ছেলেকেও খুন করা হয়।