চারদিনের ব্যবধানে আবারও বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিলম্ব। বৃষ্টির বাধা কাটিয়ে হলদিয়ার সভাস্থলে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অভিযোগ, ‘তৃণমূল নিজের ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতে ধর্ম দেখে সংরক্ষণ দেয়। কোর্ট বারবার এটা নিয়ে ওদের ভর্ৎসনা করেছে। তার পরেও ওরা থামেনি। বিজেপি এখানে সংবিধান মেনে কাজ করবে। যার যা অধিকার, বিজেপি সরকার তাদের তা দেবে। এটা মোদীর গ্যারান্টি।’ তৃণমূলকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন,‘পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে পরিবর্তন এসেছিল। এ বার ভবানীপুরেও হবে। গোটা বাংলাতেও হবে। দেশ এগোচ্ছে। বাংলার সরকার নীচে নামছে। আগে বাংলা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেত। এখন তৃণমূল সরকার এই বাংলাকে এতটা নীচে নামাচ্ছে, বলার নয়। এটা মেদিনীপুরবাসীদের চেয়ে আর কে ভালো বলতে পারবে।’ তিনি এও অভিযোগ করেন, এখন হলদিয়ার শিল্পতালুকে তালা লেগেছে। আগে এখানে কাজের জন্য লোক আসত। এখন এখানকার লোক আন্দামানে কাজে যায়। অন্য রাজ্যে কাজে যায়। ভুয়ো ডকুমেন্ট বানাচ্ছে এখানে। তৃণমূলের রাজনীতি হলো সন্ত্রাস ছড়ানো, ভয় দেখানো। এখানে কারখানা সিন্ডিকেট দিয়ে চলে। তৃণমূল ভয় দেখিয়ে এ সব করে। প্রধানমন্ত্রী জানান, একসময় দেশের অন্য জায়গা থেকে যুবকরা হলদিয়ায় কাজ করতে আসতেন ৷ এখন হলদিয়ার যুবকদের আন্দামানে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে ৷ কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই অবস্থার পরিবর্তন হবে ৷ যে সমস্ত রাজ্যে বিজেপির সরকার আছে সেখানে রোজগার মেলা হয় ৷ বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে এখানেও রোজগার মেলা হবে ৷ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উন্নত বাংলার জন্য নির্মম সরকারের পতন প্রয়োজন ৷ ভারত আজ দুনিয়ার মধ্যে সর্বাধিক গতিতে উন্নত হচ্ছে ৷ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ভালো কাজ হচ্ছে ৷ একদিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আর বাংলাকে পিছিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল সরকার ৷” সপ্তম পে কমিশন লাগুর আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী।

