কোচবিহারের ঘুঘুমারিতে বাস ভাঙচুর করল বিজেপি। হেমতাবাদের বিধায়ক দেবেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে ডাকা বনধকে কেন্দ্র করে ছড়াল উত্তেজনা। বনধ সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে তেতে উঠেছে গোটা এলাকা। তৃণমূল সমর্থকদের মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এছাড়া শিলিগুড়ির হাসমিচকে রাস্তা অবরোধ করে বিজেপি।  এই অবরোধ তোলার সময় পুলিস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় হাতাহাতি।৷ বনধ সমর্থনকারীরা পিকেটিং এর চেষ্টা করলে সকালে 6 জনকে গ্রেপ্তার করা হয় । এরপর বেলা ১১টা নাগাদ বিজেপি জেলা নেতৃত্ব মিছিল শুরু করলে বাধা দেয় পুলিশ ৷ ধস্তাধস্তি হয় দু’তরফে ৷ গ্রেপ্তার হন বিজেপি নেতা কর্মীরা । বেলা বারোটা নাগাদ হিলকার্ট রোডে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিছিল করতে গেলে পুলিশ আবারও বাধা দেয় । শুরু হয় প্রবল ধস্তাধস্তি । তখন পুলিশের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা । তাঁদের টেনে গাড়িতে নিয়ে গিয়ে তোলে পুলিশ । অন্যদিকে, বিজেপি যুব মোর্চার সদস্যরা ততক্ষণে মিছিল শুরু করে । তাঁদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয় । সব মিলিয়ে ৩০ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে । এছাড়া উত্তেজনা রায়গঞ্জ শহরে ৷ জোর করে বনধ পালন করানোর অভিযোগে পুলিশ বিজেপি-র ১৬ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে৷ পাশাপাশি আটটি বাইক আটক করা হয়েছে।