আচমকায় পেটে ব্যথা ৷ বাথরুমে শিশুপুত্রের জন্ম দিল ১৫ বছরের নাবালিকা ৷ ঘটনাটি কর্ণাটকের শিবামোগ্গা জেলার ৷ নবম শ্রেণির ছাত্রী পুলিশকে জানিয়েছে, ১৬ বছরের দাদা, বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে তার সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করত।নাবালিকা বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত দাদাকে গ্রেফতার করেছে ৷ নাবালকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায়সংহিতা এবং পকসো আইনে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে ৷ ১৫ বছরের ওই নাবালিকাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ৷ মেয়েটির বাবা-মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতেও পুলিশ এই মামলা দায়ের করেছে। এরপর পুলিশের তরফে নির্যাতিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ৷ নবম শ্রেণির ছাত্রী পুলিশকে জানিয়েছে, বাবা-মা যখন কাজের জন্য বাইরে যেতেন তখন দাদা তার সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করত। শিবামোগ্গা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত প্রথমে মেয়েটিকে প্রাণে মারার হুমকি দেয় ৷ সেইসঙ্গে বাবা-মায়ের কাছে একথা না-জানানোর জন্য নির্দেশ দেয় ৷ মাত্র সাড়ে সাত মাসের মধ্যে মেয়েটি এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয় ৷ বর্তমানে, নাবালিকা মা’কে চিকিৎসার জন্য জেলার ম্যাকগান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷ এরপর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয় ৷ শিবমোগা শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তার মতে, অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয় ৷ এই ঘটনার কয়েকদিন আগে ইয়াদাগিরি জেলায় একইরকমের ঘটনা ঘটেছিল ৷ গত ২৭ অগস্ট একটি সরকারি আবাসিক স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলের টয়লেটে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। তার সহপাঠীরা যখন লক্ষ্য করে যে তার প্রসব যন্ত্রণা হচ্ছে এবং স্কুল প্রশাসনকে তা জানায়, তখন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ, ওঠে প্রায় ৯ মাস আগে যৌন হেনস্তার শিকার হয় সে। যদিও, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনা এবং অভিযুক্তের কারওর বিষয়েই কিছুই জানাতে চায়নি নির্যাতিতা। নাবালিকার দাবি, স্কুলের শৌচাগারে সে পেটে অসহ্য ব্যথা অনুভব করে। তারপর সেখানেই সন্তানের জন্ম দেয়। কর্ণাটকের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করে ৷ অভিযোগ, প্রায় ৯ মাস আগে যৌন হেনস্তার শিকার হয় সে। যদিও, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনা এবং অভিযুক্তের কারওর বিষয়েই কিছুই জানাতে চায়নি নির্যাতিতা। নাবালিকার দাবি, স্কুলের শৌচাগারে সে পেটে অসহ্য ব্যথা অনুভব করে। তারপর সেখানেই সন্তানের জন্ম দেয়। কর্ণাটকের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল ৷ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয় ৷ এই ঘটনার পর, কর্ণাটক রেসিডেন্সিয়াল এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন্স সোসাইটি (KREIS) কর্তব্যে অবহেলা এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ও স্বাস্থ্যগত অবহেলার অভিযোগ তোলে ৷ সেই সঙ্গে ওই স্কুলের অধ্যক্ষ এবং হস্টেল ওয়ার্ডেন-সহ চারজন কর্মচারীকে বরখাস্ত করেছে।