সোনারপুরে মৃত দলীয় কর্মীর বাড়িতে যেতে গিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা বিজেপির কর্মীদের। বিজেপির বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ । তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় সোনারপুরের বাসিন্দা সঞ্জু কর্মকার নামে তৃণমূলের এক কর্মী খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ। এদিন তাঁর বাড়িতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক । সেসময় তাঁকে দেখে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। একসময় হেলমেট পরিয়ে অভিষেককে সঞ্জুর বাড়িতে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ প্রশাসনের উপরে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন তিনি। অভিষেক বলেন, “আমি সোনারপুরে যাতে না আসি, তার জন্য সবরকম চেষ্টা হয়েছে। তবু আমি এসেছি। পারলে আমাকে প্রাণে মেরে দিক। এটাই ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়ন মডেল।” এলাকায় একজন সাংসদ পৌঁছালেও প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চললেও একজনও পুলিশকর্মীকে সেখানে দেখা যায়নি। গোটা রাস্তায় হেনস্থার শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃতের বাড়িতে পৌঁছান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একের পর এক তাঁকে লক্ষ্য করে উড়ে আসে ডিম, ইট, জুতো ৷ ছিঁড়ে যায় জামা ৷ ওই অবস্থাতেও উঠে হেঁটে এগিয়ে যেতে দেখা যায় অভিষেককে ৷ যদিও আশঙ্কা প্রকাশ করে অভিষেক বলেন, “এরা আমাদের প্রাণে মারতে চায় ৷ আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে ৷ আমি জায়গা ছেড়ে যাব না ৷”

শনিবারের পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে অভিষেক অভিযোগ করেন, যে পরিস্থিতি এরা তৈরি করেছে সিপিআইএম বা মধ্যযুগীয় বর্বরতাও এদের কাছে লজ্জা পাবে। মাথাটা খালি বেঁচে গিয়েছে শুধু একটা হেলমেট পরে ছিলাম বলে। চশমা ভেঙে দিয়েছে। ঘড়ি, বেল্ট ছিঁড়ে দিয়েছে। আমি যেভাবে এসেছি সেভাবেই বেরিয়ে যেতে পারি। কিন্তু এই বখাটে ছেলেগুলোই এদের উপর চড়াও হবে। প্রায় অধঘণ্টা ধরে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়ির বাইরে বাড়ি ঘিরে তাণ্ডব চলার পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। জমায়েত সরানোর চেষ্টা করা হয়।