আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি (ICDS এর কর্মী) কর্মীরা ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত পাবেন। রাজ্য বাজেটে বড় ঘোষণা করে দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাজেট পরবর্তী সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আগের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চার হাজার টাকা চাইতে গিয়ে লাঠি খেয়েছেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চাইতে হয়নি। আপনারা অনেক কাজ করেন। আপনারাই বাঁচিয়ে রেখেছেন হেলথ সেন্টার।” ২০২৬-২৭ রাজ্য বাজেটে একাধিক বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং পার্শ্বশিক্ষকদের মাসিক পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ার, হোমগার্ডদের বেতন বাড়ানো হয়েছে এবং মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রবীণ, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও ভাতার টাকাও বাড়ানো হয়েছে। যুবকদের জন্য আসছে ‘ভরসা কর্মসূচি’। যোগ্য বেকার যুবকরা পাবেন মাসিক ৩০০০ টাকা। সেই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ৩০,০০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬ সালের রাজ্য বাজেটে যেন কল্পতরু সরকার। ১ লক্ষ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি প্রান্তিক স্তরের সমাজকর্মী থেকে শুরু করে বেকার যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রচুর ভাতা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, গ্রামীণ ও শহরে যাঁরা একেবারে তৃণমূল স্তরে মানুষের জন্য কাজ করেন, তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি:অর্থমন্ত্রী বাজেট ঘোষণায় বলেন, “রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হলেন আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। বাজেটে তাঁদের পরিশ্রমকে কুর্ণিশ জানিয়ে পারিশ্রমিক বৃদ্ধির বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের পারিশ্রমিক:আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসে ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করা হল। পার্শ্বশিক্ষক (Para Teachers)-দেরও মাসিক বেতন ৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, সিভিক ভলান্টিয়ার, হোমগার্ড, গ্রিন পুলিশ ও এনভিএফ (NVF) কর্মীদের মাসিক বেতন ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের মাসিক ভাতা বাড়ান হল এক হাজার টাকা।