বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পরই বিভক্ত তৃণমূল ৷ একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্যদিকে নব তৃণমূল শিবির। এবার এই লড়াই এখন রাজধানীতে। আসল তৃণমূল কারা ? কার হাতে থাকবে বহু পরিচিত ঘাসের উপর জোড়া ফুল প্রতীক ? সেই ফয়সালা করতেই এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল দলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী। আগামিকাল, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দুপুর 12টায় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের মুখোমুখি হচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল বিধায়করা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সামনেই নিজেদের যাবতীয় দাবি পেশ করবেন তাঁরা।গত 22 জুন তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিজেদের মতো করে জাতীয় কর্মসমিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে নিয়েছিল। সেখানেই 30 জনের একটি মূল কমিটি এবং 10 জনের একটি সাব-কমিটি তৈরি করা হয়। শুধু তাই নয়, দলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়কে নির্বাচিত করা হয় ৷ এরপর থেকেই সংঘাত চরমে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের দফতরে আইনজীবীদের একটি বিশেষ দল ইতিমধ্যেই নব তৃণমূলের তরফে যাবতীয় রেজোলিউশন এবং আইনি কাগজপত্র জমা করে দিয়েছে ৷ আর এই পর্বের মাঝেই ঋতব্রতপন্থীরা নিজেদেরকে ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করে। মূল আইনি লড়াইটা দলের নাম আর নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে। 1968 সালের ইলেকশন সিম্বলস (রিজার্ভেশন অ্যান্ড অ্যালটমেন্ট) অর্ডার অনুযায়ী, কোনও আঞ্চলিক দলের প্রতীক ধরে রাখতে গেলে অন্তত 6 শতাংশ বৈধ ভোট এবং অন্তত দু’জন বিধায়ক থাকতে হয় ৷ পরিসংখ্যান বলছে, শেষ নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোট পড়েছিল প্রায় 6 কোটি 30 লক্ষ। এর 6 শতাংশ মানে দাঁড়ায় প্রায় 37 লক্ষ 80 হাজার ভোট ৷ আজ সন্ধ্যায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল গোষ্ঠীর 10 বিধায়ক ৷ দিল্লি যাওয়ার আগে এদিন দমদম বিমানবন্দরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”আগামিকাল বেলা 12টার সময় দিল্লিতে নির্বাচন সদনে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের একটি বৈঠক রয়েছে ৷ আমাদের 10 সদস্যকে বৈঠকে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ৷ আমরা আজ 10 জন দিল্লি যাচ্ছি ৷” গত 22 জুন তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিজেদের মতো করে জাতীয় কর্মসমিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে নিয়েছিল। সেখানেই 30 জনের একটি মূল কমিটি এবং 10 জনের একটি সাব-কমিটি তৈরি করা হয়। শুধু তাই নয়, দলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়কে নির্বাচিত করা হয় ৷ এরপর থেকেই সংঘাত চরমে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের দফতরে আইনজীবীদের একটি বিশেষ দল ইতিমধ্যেই নব তৃণমূলের তরফে যাবতীয় রেজোলিউশন এবং আইনি কাগজপত্র জমা করে দিয়েছে ৷ আর এই পর্বের মাঝেই ঋতব্রতপন্থীরা নিজেদেরকে ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করে।
মূল আইনি লড়াইটা দলের নাম আর নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে। 1968 সালের ইলেকশন সিম্বলস (রিজার্ভেশন অ্যান্ড অ্যালটমেন্ট) অর্ডার অনুযায়ী, কোনও আঞ্চলিক দলের প্রতীক ধরে রাখতে গেলে অন্তত 6 শতাংশ বৈধ ভোট এবং অন্তত দু’জন বিধায়ক থাকতে হয় ৷ পরিসংখ্যান বলছে, শেষ নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোট পড়েছিল প্রায় 6 কোটি 30 লক্ষ। এর 6 শতাংশ মানে দাঁড়ায় প্রায় 37 লক্ষ 80 হাজার ভোট ৷

