দেশের যুবক-যুবতীদের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টার অভিযোগ ৷ এই নিয়েই দেশজুড়ে বড়সড় অভিযান শুরু করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভারতের যুব সমাজকে লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচার চালাচ্ছে । মোবাইল ফোনে উস্কানিমূলক ভিডিয়ো, প্রচারপত্র এবং বার্তা পাঠিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে । অভিযোগ, এই দেশের যুব সম্প্রদায়ের একাধিক ব্যক্তির মধ্যে আল কায়েদা এবং আইএসআইএস-এর জঙ্গি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে । এটা বিভিন্ন জঙ্গি হ্যান্ডলারদের মাধ্যমেই করা হচ্ছে বলে অভিযোগ । আর পুরো কাজটাই হচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে । দেশ বিরোধী কার্যকলাপে যুব সম্প্রদায়কে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই জানতে পেরেছেন এনআইএ-এর তদন্তকারীর আধিকারিকরা । এই অভিযোগের সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দেশের প্রায় 20টি চিহ্নিত স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা । এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলাঙ্গানা, কর্ণাটক, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাত, রাজস্থান ও দিল্লিতে এই তল্লাশি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । এ রাজ্যে বাঁকুড়া জেলার খাতরা এলাকায় বিশেষভাবে নজর দেন তদন্তকারীরা । এনআইএ সূত্রে খবর, জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে পূর্বেই গ্রেফতার হওয়া মীর আসিফের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকালে পৌঁছন তদন্তকারী আধিকারিকরা । দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ডিজিটাল স্টোরেজ মাধ্যম এবং কিছু সন্দেহজনক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ।

