কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে সই জাল কাণ্ডে সিআইডি-র সামনে হাজিরা দিতে ভবানী ভবনে পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এ দিন বিকেলেই দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ভবানী ভবনে না গিয়ে প্রথমে কালীঘাটে নিজের বাড়িতে পৌঁছন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক৷ সেখান থেকে বিকেল পৌনে ৬টা নাগাদ ভবানী ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন অভিষেক৷ভবানী ভবনে পৌঁছনোর পর প্রথমে রেজিস্ট্রার বুকে সই করেন অভিষেক৷ এর পর তাঁকে ভবানী ভবনে সিআইডি-র মূল দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানেই সিআইডি-র বিশেষ তদন্তকারী দলের মুখোমুখি হবেন অভিষেক৷ অভিষেক সিআইডি তদন্তে সহযোগিতা করবেন, এই শর্তেই তাঁকে ২ সপ্তাহের রক্ষাকবচ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ অভিষেকের আইনজীবী হাইকোর্টকে জানান, আজ দিল্লি থেকে ফিরেই সিআইডি-র মুখোমুখি হবেন তৃণমূল সাংসদ৷ এর আগে অন্তত তিন বার বিধানসভার সই জাল কাণ্ডে সিআইডি-র তলবে সাড়া দেননি অভিষেক৷ প্রথমবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে অভিষেকের হাতেই নোটিস দিয়ে এসেছিলেন সিআইডি-র আধিকারিকরা৷ কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা, কলকাতায় না থাকার মতো অজুহাত দেখিয়ে তিন বার হাজিরা এড়িয়েছেন অভিষেক৷ বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের বিধায়কদের নিয়ে যে বৈঠক হয়েছিল, সেই বৈঠকের রেজোলিউশন বুক সিআইডি অভিষেকের কাছে চেয়েছে বলে সূত্রের খবর৷ কারণ ওই বৈঠকে একাধিক তৃণমূল সাংসদ অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাঁদের সই জাল করে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা মনোনীত করে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওই চিঠি দেন অভিষেক৷ সেই কারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিআইডি৷ যে বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁদের অধিকাংশের সঙ্গেই ইতিমধ্যে কথা বলেছেন তদন্তকারীরা৷