প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুম থেকে উদ্ধার বিএলও’র ঝুলন্ত দেহ ৷ ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার রানিবাঁধ বিধানসভার রাজাকাটা এলাকায় ৷ পরিবারের দাবি, বিএলও-র কাজের চাপ নিতে না পেরেই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক হারাধন মণ্ডল ৷ ঘটনা প্রসঙ্গে সরব হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ মৃত্যুর জন্য বিজেপিকেই দুষেছেন তিনি ৷ অন্যদিকে, মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ৷ বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য জানান, “পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপ করা হবে”। ঘটনাস্থল থেকে একটি নোট উদ্ধার হয়েছে ৷ তাতে লেখা, “আমি আর চাপ নিতে পারছি না, বিদায় ৷” শেষে লেখা আছে, “সব ঠিক করেও আমি ভুল করলাম ৷ ক্ষমা করো আমাকে ৷” ৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রানিবাঁধ থানার পুলিশ ৷ পরে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে ৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার রাজাকাটা মাঝেরপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রানিবাঁধ বিধানসভার ২০৬ নম্বর বুথে বিএলও’র দায়িত্বে ছিলেন ৷ তাঁর বুথের কিছু ভোটারের শুনানিতে ডাক পড়েছে ৷ সেই ভোটারদের নথিপত্র জোগাড়ের নাম করে এদিন বেলা দশটা নাগাদ নিজের বাড়ি থেকে বের হন বিএলও হারাধন ৷ এরপর তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি ৷ পরে পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ করতে করতে স্কুলে গিয়ে একটি ক্লাসরুমে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান ৷ পরিবারের দাবি, হারাধন এসআইআরের কাজের চাপ নিতে না-পেরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ৷ অনেক রাত জেগে কাজ করতেন ৷ তার জেরেই এমন ঘটনা ৷

