শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু হয়েছে। উত্তুরে হাওয়ায় কাঁপছে বাংলা। দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনার কথা জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস । অর্থাৎ, দার্জিলিংয়ে চলতি মরশুমে যে প্রবল ঠান্ডার ঝাপটা চলছে তা অব্যাহত থাকবে । বিদায়ী বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দু’দিন তুষারপাতের সম্ভাবনা শৈলশহরে ৷ এমনটাই জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ অন্বেষা ভট্টাচার্য । ইতিমধ্যেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের পরিস্থিতি । তবে নববর্ষের শুরুতেই সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রা । কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ঘোরাফেরা করবে । পশ্চিমের জেলাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ৮ ডিগ্রির কোঠায় ৷ উপকূলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে । সোমবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকবে । পরবর্তী দু-তিন দিনে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে । তবে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও জাঁকিয়ে শীত চলবে দক্ষিণবঙ্গে । বর্ষশেষের বাকি দিনগুলোতে শীতের পরিস্থিতি বজায় থাকবে । পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে 31 ডিসেম্বর থেকে ফের ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে পারদ । তবে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই । আজ রবিবার দিনের আকাশ থাকবে পরিষ্কার । সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৩ এবং ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে । উত্তরবঙ্গের ছবিটা অবশ্য অন্যরকম । বেশিরভাগ জেলাতেই আজ ঘন কুয়াশা থাকবে । তার মধ্যে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে । এই এলাকাগুলিতে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের নিচে নেমে যেতে পারে ৷ বেলা বাড়লে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে ৷ এছাড়াও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিক্ষিপ্তভাবে দেখা যাবে কালিম্পং, দুই দিনাজপুর-সহ মালদাতে । দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলা-সহ বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশা থাকবে । পরে আকাশ পরিষ্কার হলেও কোথাও কোথাও দিনভর আংশিক মেঘলা আকাশ ও কুয়াশার সম্ভাবনা থাকবে । দার্জিলিং জেলা সহ-সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে । পার্বত্য এলাকা এবং ওপরের দিকের পাঁচ জেলাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে । মালদা ও সংলগ্ন জেলাতে অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের নিচের দিকে জেলাগুলিতে ৯ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ।