আজ, শুক্রবার রথযাত্রা। সাজ সাজ রব দীঘায়। অক্ষয় তৃতীয়ায় জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটনের পর এই প্রথম এখানে পালন হবে রথযাত্রা উৎসব। যার সাক্ষী থাকতে পূণ্যার্থীদের ঢল নামতে শুরু করে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই। রথযাত্রায় রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস আগেই দিয়ে রেখেছিল আবহাওয়া দপ্তর। এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে সৈকত নগরীতে। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সময় বা‌ড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় বাড়ছে মন্দির চত্বরে। বুধবারই দীঘায় এসে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রথযাত্রা ঘিরে সাজসাজ রব পুরীতেও। জগন্নাথ দর্শনে দেশের নানা প্রান্ত থেকে এখানে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। রথযাত্রা উপলক্ষে লাখ লাখ ভক্তের ঢল পুরী ও দীঘায়। সেকথা মাথায় রেখেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহর। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরির পর এবারই প্রথম দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের রথযাত্রা। মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত রয়েছেন সেই রথযাত্রা উৎসবে। বলভদ্রের পর এবার রথে প্রতিষ্ঠা করা হল সুভদ্রাকে। দীঘা রথযাত্রা ঘিরে তুঙ্গে উদ্দীপনা।  রথে প্রতিষ্ঠা করা হল বলভদ্রের বিগ্রহ। রথের উপর থেকে ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছেন  সন্ন্যাসীরা। করা হয় আরতিও। সোনার ঝাড়ু তৈরির জন্য পাঁচ লক্ষ এক টাকা দিয়েছিলেন মমতা। সেই ঝাড়ু দিয়েই এদিন জগন্নাথদেবের যাত্রাপথ সাফ করবেন তিনি। এরপর ঠিক বেলা আড়াইটের সময় রথের চাকা গড়াতে শুরু করবে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে। গোটা যাত্রাপথে দু’দিকে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ ব্যারিকেডের ভেতর থেকেই রথের রশি (বাসুকী নাগ) স্পর্শ করতে পারবেন। পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা এড়াতে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামতে দেওয়া যাবে না বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওদিকে কলকাতার ইসকন ও শ্রীরামপুরের মাহেশেও ঐতিহ্যের রথ। রথ নবদ্বীপের মায়াপুরের ইসকনেও।