প্রথম দফা ভোট মিটতে না মিটতেই ফের অ্যাকশন মুডে ইডি। কলকাতা, হাবরা, বর্ধমানের মোট ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি। সাত সকালে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার ছেড়ে যান ইডির তদন্তকারীরা। একযোগে হাবড়ার ৩ চাল ব্যবসায়ীর বাড়ি ও চালকলে হানা।  কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে এই অভিযানে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, আর্থিক তছরুপ বা ‘মানি লন্ডারিং’ সংক্রান্ত একটি মামলার সূত্র ধরেই এই হানা। শনিবার ভোরে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডির বেশ কয়েকটি দল হাবড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। জানা যায়, শনিবার সকালে হাবরার ৪ জায়গায় ইডি তল্লাশি চলছে। দক্ষিণ হাবরার সুভাষ রোড এলাকায় সাগর সাহার বাড়ি ও গোডাউনে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। পার্থ সাহা, রাজীব সাহা, সমীর চন্দ্র নামে ৩ জনের দোকানে হানা দেয় ইডি। জয়গাছি নেতাজি রোড এলাকায় ব্যবসায়ীদের বাড়িতেও চলে তল্লাশি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে হাবড়ায় যাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চলেছে, প্রত্যেকেই চাল ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, আর্থিক তছরুপের অভিযোগেই ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ভোরে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একাধিক দল রওনা দেয়। হাবড়ায় পৌঁছে আলাদা আলাদা দলে ভাগ হয়ে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। এদিন কলকাতা ও বর্ধমানের চাল ব্যবসায়ীদের বাড়িতেও হানা দেয় ইডি।

প্রথম দফার ভোট মিটেছে গত ২৩ এপ্রিল। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ পশ্চিমবঙ্গে। তার ঠিক আগে এই সক্রিয়তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিজেপি। ভোটের মুখে শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের হেনস্তা করার পাশাপাশি এবার ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।