প্রথম দফা ভোটের একদিন আগে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া প্রথম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন ৷ সেই সঙ্গে কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল যাদের শুনানির নিষ্পত্তি করেছে তাদের নামই সাপ্লিমেন্টারি প্রথম তালিকায় রয়েছে ৷ আর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এরা প্রথম দফায় ভোটও দিতে পারবেন ৷ তবে কত নাম যুক্ত হল বা বাদ গেল, তা এখনও স্পষ্ট করেনি কমিশন । বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ পর্ব । আর তার আগেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশিত হল অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নং 1 । পাশাপাশি যাঁদের নাম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল থেকে বাদ গেল সেই তালিকাও আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে । তবে যাঁদের নাম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নং 1 এ উঠল তাঁরা আগামিকাল অর্থাৎ 23 এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোট দিতে পারবেন । তবে এই তালিকায় কতজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা গেল বা বাদের তালিকা থেকে কতজনের বাদ গিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি কমিশন । বৃহস্পতিবার রাজ্যের 152টি আসনে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ ৷ বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন । প্রথম দফা নির্বাচনে সকাল 6টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা ছেড়ে বেরোতে পারবেন না কোনও প্রার্থী । ভোটের দিন ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে তাঁদের এবং কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না বা কোনওরকম গণ্ডগোলের মধ্যে জড়ানো যাবে না । নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে প্রত্যেক প্রার্থীকে । এমনটাই স্পষ্ট নির্দেশ কমিশনের । পাশাপাশি দাগী অপরাধীদের নামের তালিকা দিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন । উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত জামিন অযোগ্য ধারায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট 506 জনকে । এছাড়াও কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচনে কোনও সরকারি কর্মী যদি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে পক্ষপাতিত্ব করেন এবং ভোটারদের প্ররোচিত করার চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে । বুথ জ্যাম থেকে শুরু করে ছাপ্পা ভোট দিতে সাহায্য করলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ নেবে বলেও জানানো হয়েছে । জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনও সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে এই ধরনের কোনও দোষ প্রমাণিত হলে তাঁর জেল থেকে শুরু করে চাকরি থেকে বরখাস্তের মতো পদক্ষেপ করবে নির্বাচন কমিশন ।

