ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এক্স (পূর্বতন টুইটার) অ্যাকাউন্টটি ফের চালু করার নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট৷ মঙ্গলবার আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে৷ আদালত জানিয়েছে, সিজেপি-র অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার যে মূল কারণটি দেখিয়েছিল, তা এখন আর নেই৷ কারণ, নিট ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। সিজেপি-র এক্স অ্যাকাউন্ট ফের চালু করতে দেওয়ার আর্জি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলাটি অভিজিৎ দীপকের তরফে দায়ের করা হয়েছিল৷ মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার এজলাসে৷ বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মা সিজেপি-র ‘এক্স’ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অভিজিৎ দীপকের দায়ের করা আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন এবং অ্যাকাউন্টটি আনব্লক বা সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুনানিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান যে আশঙ্কার ভিত্তিতে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ (ব্লক) করা হয়েছিল, তা মূলত নিট পরিচালনার বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। ওই পরীক্ষা ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে৷ তাই আদালত মনে করে যে কেন্দ্রের উদ্বেগের বিষয়টি আর প্রাসঙ্গিক নয়৷ সেই কারণে আদালত সিজেপি-র অ্যাকাউন্টটি পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরব এই বিষয়টি নিয়ে এর আগে শুনানি করেছিলেন৷ সেই সময় তিনি সিজেপি-র এক্স অ্যাকাউন্ট চালু করা নিয়ে কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছিলেন৷ বরং তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত জানতে চেয়েছিলেন৷ পাশাপাশি ইনফরমেশন টেকনলজি (প্রসিডিওর অ্যান্ড সেফগার্ডস ফর ব্লকিং ফর অ্যাকসেস অফ ইনফরমেশন বাই পাবলিক) রুলস, 2009 -এর আওতায় গঠিত বিধিবদ্ধ পর্যালোচনা কমিটিকে আবেদনকারীর অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটেই এদিন দিল্লি হাইকোর্ট এদিনের নির্দেশটি দিয়েছে৷ এর আগের শুনানিতে অভিজিৎ দীপকের হয়ে সওয়াল করেছিলেন প্রবীণ আইনজীবী অখিল সিবাল৷ সেই শুনানিতে তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যেকোনও নির্দিষ্ট পোস্ট আপত্তিকর বলে মনে হলে, কেবল সেই পোস্টটি ব্লক করে রাখা যেতে পারে৷ কিন্তু মূল অ্যাকাউন্টটি আনব্লক করা উচিত। তিনি সংশ্লিষ্ট ‘ব্লকিং অর্ডার’ বা অ্যাকাউন্ট বন্ধের নির্দেশটি আদালতে পেশ করারও আর্জি জানিয়েছিলেন৷ তিনি আরও উল্লেখ করেছিলেন, সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত আগের মামলাগুলোতে আদালত নির্দিষ্ট কিছু পোস্ট ব্লক করে মূল অ্যাকাউন্ট চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছিল৷