জগদ্দলের ঘটনা নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজির থেকে রিপোর্ট চাইলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। জগদ্দল থানার সামনে এবং সংলগ্ন এলাকায় এত পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল? রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে কথা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের। ঘটনায় যারা যারা অভিযুক্ত তাদের সবাইকে গ্রেফতার করার নির্দেশ কমিশনের। এত কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে গুলি চলার ঘটনা ঘটল? বারবার বেআইনি বন্দুক, গুলি, উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হলেও কেন সক্রিয় হচ্ছে না পুলিশ? তা নিয়েও ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন। সোমবার শেষ প্রচারের দিনে জগদ্দলে দলীয় প্রার্থী রাজেশ কুমারের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী জনসভা করবেন । তার আগেই তৃণমূল ও বিজেপি দু’পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল জগদ্দল । জগদ্দল থানার বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের গন্ডগোলের ঘটনার পর পুলিশ সবাইকে সরিয়ে দেয়। এরপরই গন্ডগোল অন্য মাত্রা নেয় অর্জুন পুত্র পবন সিং-এর বাড়ির সামনে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা, গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভায় না-যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে । সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিন কয়েক আগে নির্বাচনী সভা থেকে বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমারের বিরুদ্ধে কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন । রাজেশ সে ব্যাপারে জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন । গোলমালের খবর পেয়ে অর্জুন সিং অনুগামীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন । সংঘর্ষের তীব্রতা তখন আরও বেড়ে যায় । দু’পক্ষই পরস্পরের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে । জগদ্দল থানার পাশেই বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবন সিংয়ের বাড়ি । অভিযোগ, গোলমালের সময় তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে । পবনের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা-গুলি ছুড়তে থাকে । দুষ্কৃতীদের গুলিতে যোগেশ শর্মা নামে তাঁর দেহরক্ষী সিআইএসএফের এক জওয়ান জখম হয়েছেন । তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে । কলকাতার এক হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে ।