দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে এসে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন । আর সেটাই যেন ‘কাল’ হল ঝাড়গ্রামের সাধারণ এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম কুমার সাউের ৷ রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজনৈতিক তরজার জেরে কার্যত দোকান ছেড়ে এখন ‘পলাতক’ ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম। ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজের কাছে একটি ছোট দোকান চালাতেন বিক্রম । নিজের ব্যবসা আর পরিবার নিয়ে ভালোভাবে থাকতে চেয়েছিলেন । কিন্তু হঠাৎই দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে উপস্থিত হয়ে ঝালমুড়ির স্বাদ নেন । স্বভাবতই এই ঘটনা সাধারণ মানুষের কাছে যথেষ্ট কৌতূহল এবং উৎসাহের বিষয় হয়ে দাঁড়ায় । ভোট পূর্ববর্তী এই আবহে প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় চরম রাজনৈতিক চাপানউতোর । রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শাসক দলের তাবড় নেতারা এই ঝালমুড়িওয়ালাকে উদ্দেশ্য করে পরোক্ষে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন । বর্তমানে বিক্রমের আর কোনও খোঁজ মিলছে না। বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক আতঙ্কের কারণেই কার্যত গা ঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন ওই ঝালমুড়ি বিক্রেতা ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শাসকদলের নেতারাই আগে ফুটপাতের উপর ঠেলাগাড়ি সরিয়ে বিক্রমের মাথার ওপর স্থায়ী দোকানের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন । যাতে ভবিষ্যতে তাঁরা ভালোভাবে ব্যবসা করে খেতে পারেন ।